Mountain View
শেবাচিমে ইন্টার্নী চিকিৎসকদের প্যাষ্টিজ আর প্যাষ্টিজ


প্রকাশ : জুন ১৪, ২০১৬ , ২:৫৫ অপরাহ্ণ
প্রথম সংবাদ ডেস্ক

নাজমূল হাসান হৃদয় ॥
বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্নী চিকিৎসকদের প্যাষ্টিজ আর প্যাষ্টিজ। একটু কিছু হলেই শুরু করে দেয় আন্দোলন। বন্ধ হয়ে যায় হাসপাতালের সকল সেবা কার্যক্রম। রোগীরা যেন ওদের কাছে  বড় একটা বোঝা। গায়ে চিকিৎসকদের ছিল লাগিয়ে রোগী ও তাদের স্বজনদের লাঞ্চিত করাই ওদের পেশা গয়ে দাড়িয়েছে। তাদের রুমে প্রবেশ করা, একটু পাশে চেয়ারে বসা, উচ্চস্বরে কথা বললেই শুরু হয় আন্দোলন। হতে হয় রোগী ও তার স্বজনদের লাঞ্চিত। শুধু কি তাই মারধর করা থেকেও বিরত থাকেনা এইসব হতে যাওয়া ডাক্তাররা। শুধুকি তাই। সরকারী পুলিশ কর্তাকে লাঞ্চিত করা আবার সেই পুলিশ কর্মকর্তাকেই ক্লোজ করা ওদের আর্ট হয়ে দাড়িয়েছে। জনসাধারনদের দাবী সরকারী হাসপাতালে বিনা পয়সায় চিকিৎসা সেবা দেওয়ার কারনে ওদের মাথা গরম থাকে। ওরাতো আর ডাক্তার হতে আসেনি ওরা এসেছে টাকা কামাতে। বরিশালের চিকিৎসা সেবার দিকে তাকালে দেখা যায় প্রাইভেট ক্লিনিক বা  হাসপাতাল গুলোতে কোন চিকিৎসক দ্বারা রোগী ও তার স্বজন লাঞ্চিত হয়েছে এমন খবর খুব কম চোখে পরে। তবে সরকারী হাসপাতালে কেন এমনটা হচ্ছে। ইর্ন্টনী চিকিৎসকরা আসলে কি ভাব নিয়ে ডাক্তার হতে চায় ? বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন শত শত রোগী সেবা নিতে আসে । যেখানে বরিশালসহ বিভিন্ন জেলা উপজেলা ও অনান্য বিভাগের রোগীও রয়েছে। প্রত্যেক  স্বজনের কাছেই তার রোগীর জন্য চিন্তা থাকে।  হাসপালে ভর্তির পর থেকে প্রথমে শুরু হয় ওয়ার্ডে নার্সদের যন্ত্রনা। তাদের অকথ্য ভাষা রোগী ও তার স্বজনদের দিশেহারা করে তোলে। এর পর আবার সময় মত কোন ডাক্তার রোগীর বেডের কাছে পৌছায় না। তারা তাদের রুমে গাল গপ্পে ব্যস্থ থাকে। রোগীর স্বজনরা যখন রুমের সামনে গিয়ে দাড়ায় তখন তাদের ভিখারীর মত গালাগাল করে তাড়িয়ে দেয়া হয়। ডায়লোক শুধু একটাই সময় হলেই ডাক্তার যাবে। আর এই সময় যদি হয় রোগী মারা যাবার পরে তখন কোন রোগীর স্বজন ডাক্তারদের ছেলুট করবে ! আর তখনি যদি স্বজনরা সেই ডাক্তারদের উপর চড়াও হয় সেটা হয়ে যায় চিকিৎসকদের উপর হামলা। রোগীদের দাবী পুলিশ অপরাধ করলে তাকে ক্লোজ করা হয়, রোগীর স্বজনরা করলে মার খেতে হয় , জেলে যেতে হয় তাহলে ওরাতো আর আইনের উর্ধে নয় তবে  ওদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নয়। ব্যবস্থা নিতে গেলে আবার বিপদও আছে তবেই তো বন্ধ হয়ে যাবে হাসপাতাল । কারণ শেবাচিম তো ইনর্টানি চিকিৎসকরাই চালাচ্ছে। যার কারনে ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া তো দুরের কথা ওরা মারলেও মার খেতে হবে সবার। যেমনটা রয়েছে হাসপাতালের পরিচালক মোমের পুতুলের মত। গত শনিবার থেকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ধর্মঘট পালন করছে ইন্টার্নি চিকিৎসকরা।  পুলিশের এক এসআইএর সাথে নাকি ইর্ন্টনী চিকিৎসক লাঞ্চিত হয়েছে। এমন অভিযোগে সেবা কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় তারা। আজ মঙ্গলবার ৫ দফা দাবিতে শেবাি চমের পরিচালক ডাঃ সিরাজুল ইসলামকে অবরুদ্ধ করে রাখে। এনসময় তারা বিক্ষোভ ও করে। প্রায় দেড় ঘন্টা তারা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পরিচালকের সাথে প্রায় ৩০ মিনিট কথা বলে বুধবার সকাল ১১টা পযন্ত সময় নেয়।



পুরোন সংবাদ দেখুন

প্রকাশকঃ মোহাম্মাদ রাজীব ।
সম্পাদকঃ মোস্তফা জামান (মিলন)
প্রধান নির্বাহী সম্পাদকঃ এ এম জুয়েল ।
মোবাইলঃ ০১৭১১৯৭৯৮৪৩
prothomsangbadbd@gmail.com

অফিসঃ প্রথম সংবাদ ডট কম
এক্সট্রিম আনলক, ফাতেমা সেন্টার
দোকান নং ৩১৪, ৪র্থ তলা (বিবির পুকুর পশ্চিম পাড়)
৫২৩ সদর রোড, বরিশাল - ৮২০০
বাংলাদেশ ।

© প্রথম সংবাদ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি Design & Developed By: Eng. Zihad Rana
Copy Protected by ENGINEER BD NETWORK