Mountain View
বরিশাল নগরীতে অধিকাংশ সরকারী-বেসরকারী হাসপাতাল ও ক্লিনিকে রিপ্রেজেন্টিভ দালালের দখলে…


প্রকাশ : আগস্ট ২৬, ২০১৬ , ৭:৫১ অপরাহ্ণ
প্রথম সংবাদ ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রোগীদের সর্বশেষ আশ্রয় ও চিকিৎসা কেন্দ্র গুলো এখন বিভিন্ন মুখোশধারী দালালের দখলে ভরপুর। যেখানেই যায় সেখানেই বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত গরীব অসহায় রোগীদের। তা যদি হয় দরিদ্র ,হতদরিদ্রও দুরদুরান্ত গ্রাম থেকে রোগীদের। এরুপ দৃশ্য দেখা যায় প্রতিনিয়ত নগরীর সরকারী,বে-সরকারী অধিকাংশ ক্লিনিক হাসপাতালে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধিরা ও দালালের দখলে।এমস্থ ক্লিনিক হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা সাধারন রোগীরা মানুষ অসহায় ও বঞ্চিত হয়ে পড়েছে। হাসপাতাল ও বেসরকারী ক্লিনিক গুলোর প্রধান গেট থেকে শুরু করে চিকিৎসদের রুমের ভিতর দু’শ্রেনীর লোকজনের ভির দেখা যায় সব সময়। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এরা হাসপাতালের গুলোতে দাপিয়ে বেড়িয়ে কর্মকান্ড চালাচ্ছে দালাল সদস্যরা। বিভিন্ন সময় আইনশৃখলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে নগরীর সরকারী বেসকারী হাসপাতাল ক্লিনিক গুলো থেকে পুলিশ সদ্যসরা উৎতকোচ করে ছেড়ে দেয়। এটা দালাল সিন্ডিকেটের কাছে খুবই সামান্য বিষয়। কিন্তু বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীর (রিপ্রেজেন্টিভ) ডাক্তার ভিজিটের নামে চিকিৎসা সেবা ব্যহত করছে তারা। গতকাল শেবাচিম হাসপাতালের বহি:বিভাগে ডাক্তার দেখাতে আসা রোগীর স্বজনরা জানায়, সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বসে কিন্তু সিলিয়াল কমছেনা। একজন রোগী দেখার ফাঁকে ঔষধ কোম্পানীর লোক চিকিৎসকের রুমে গিয়ে ঘন্টা পার করে দিচ্ছে। একজন বেড় হলে আরও তিনজন ব্যাগ হাতে নিয়ে দরজার সামনে দাড়িয়ে থাকে। রোগীদের থেকে চিকিৎসকরা তাদেরই বেশি প্রধান্য দেয়। চিকিৎসকের কক্ষ থেকে বেড়াতেই আরেক গ্রুপ হাত থেকে ঔষধের প্রেসক্রিসন কেড়ে নিয়ে দেখে কোন কোম্পানীর ঔষধ ডাক্তার লিখেছে। যদি যে প্রেসক্রিসন কেড়ে নেয় তারি ঔষধ লেখা হলে মোবাইল এবং ছোট ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলতে তারা ব্যাস্থ হয়ে পরে। জানা গেছে ডাক্তার বিজিটের পর তাদের চাহিদা মত চুক্তি মোতাবেক তাদের কোম্পানীর ঔষধ সাধারন গরীব মানুষের ঘাড়ে তুলে দিচ্ছে কি না।এভাবেই তা পরীক্ষা করা হয়। হাসপাতাল গুলোতে সরজমিনে গিয়ে (রিপ্রেজেন্টিভ) কাছ থেকে জানা যায়, তাদের ঔষধ লেখার কারনে ডাক্তারদের প্রতিমাসে কোম্পানী থেকে টাকা দেওয়া হয়। এবং যে ডাক্তার বেশি ঔষধ লেখে তাদেরকেও গাড়ী সহ বিভিন্ন পুরুস্কার দেয় কোম্পানী। এবং কি প্রতিবছর তাদের ভ্রমনে নেয়। এবং কি শেবাচিম হাসপাতালে ইন্টানী ডাক্তারদের প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও বিকালে তাদের খাবার দেয় বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীর লোক। ও হাসপাতাল থেকে মটরসাইকেলে করে বাসা পর্যন্ত আগিয়ে দেওয়া হয়।এরপর অনেক কষ্ঠে রোগীরা। ডাক্তার দেখিয়ে বেড় হতেই  দালালদের খপ্পরে পড়ছে হচ্ছে দিন মজুর রোগীদের। তাদের মধ্যে নানা প্রশ্ন কি কি দিলো কোথায় করতে বলছে। চলেন আমাদের ডায়গনিষ্টিক সেন্টারে ভাল মেশিন আছে কম খরজে করা হবে। ডায়গনষ্টিক সেন্টার থেকেও ডাক্তাররা প্রতিমাসে মোটা অংকের অর্থ পায় বলে একাদিক সূত্রে জানা গেছে। এবিষয় বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে সরকার ও স্ব্যাস্থ অধিদপ্তরের নেই কোন ভূমিকা। এবিষয় সরকারী-বেসকারী কয়েকজন চিকিৎসকের সাথে কথা বলে জানতে চাইলে তারা কোন ধরনের মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এবিষয় বরিশাল সির্ভিল সার্জন এফ.এম.এস.সফিউল ইসলামের মুঠো ফোনে কল দিলে ফোনটি বন্ধ থাকে। শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা: সিরাজুল ইসলাম জানায়, তাদের বিরুদ্ধে কিছুদিনের মধ্যেই ব্যাবস্থা নেওয়া হবে কিন্তু কবে হবে তা তিনি জানায়নি।



পুরোন সংবাদ দেখুন

প্রকাশকঃ মোহাম্মাদ রাজীব ।
সম্পাদকঃ মোস্তফা জামান (মিলন)
প্রধান নির্বাহী সম্পাদকঃ এ এম জুয়েল ।
মোবাইলঃ ০১৭১১৯৭৯৮৪৩
prothomsangbadbd@gmail.com

অফিসঃ প্রথম সংবাদ ডট কম
এক্সট্রিম আনলক, ফাতেমা সেন্টার
দোকান নং ৩১৪, ৪র্থ তলা (বিবির পুকুর পশ্চিম পাড়)
৫২৩ সদর রোড, বরিশাল - ৮২০০
বাংলাদেশ ।

© প্রথম সংবাদ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি Design & Developed By: Eng. Zihad Rana
Copy Protected by ENGINEER BD NETWORK