Mountain View
স্কায়ারের এ্যালমেক্স ওষুধের বোতলে কাঠেরগুড়ো !


প্রকাশ : জুন ৩, ২০১৭ , ৮:১৭ অপরাহ্ণ
প্রথম সংবাদ ডেস্ক

মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি
দেশের নামিদামি ঔষধ কোম্পানীর মধ্যে স্কয়ার নামটি অন্যতম। সেই স্কায়ারের এ্যালমেক্স (অষসবী) কৃমিনাশক ওষুধের বোতলে কাঠেরগুড়ো আকৃতির ময়লা পাওয়া গেছে। আর এটা যাছাই ও দোকানীকে ফেরৎ দিতে এসে ক্রেতা হলেন নাজেহাল। খোদ কোম্পানীর ম্যানেজার ওই ক্রেতাকে পুলিশে দেওয়ার হুমকি দিলেন। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সাড়ে ১১ টার দিকে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌর শহরের ফার্মেসী রোডস্থ আরিফ মেডিকেল হল নামে একটি দোকানে। ভূক্তভোগী মনিরুজ্জামান হাওলাদার জানান, আমি গত ৩ দিন আগে আমার দুটি শিশু বাচ্চাকে (১৬ মাস ও ৫ বছর) কৃমিনাশক ওষুধ খায়ানোর জন্য আরিফ মেডিকেল হল থেকে এ্যালমেক্স নামের দুটি ওষুধের বোতল ক্রয় করে বাড়িতে নিয়ে রাখি। ২ জুন শুক্রবার রাতে শিশুদের ওষুধ খাওয়ানোর জন্য একটি বোতলের মুখ খুলে দেখি কাঠেরগুড়ো আকৃতির ময়লা। এরপর অপর বোতল খুলে দেখি ঔষধ ঠিক আছে। মেয়াদের দিকে তাকিয়ে দেখি সেটাও ঠিক আছে, তারপরেও মনে সন্ধেহ থেকে গেল। সকালে ওই দেকানে ঔষধ ফেরৎ দিলাম। দোকানী আরিফ আমাকে ঔষধ পরিবর্তণ করে ভালো দুটি বোতল দিলেন। সাথে-সাথে আরিফ ওষুধ কোম্পানীর লোকজনদের সংবাদ পাঠালেন। সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে স্কয়ার ওষুধ কোম্পানীর  সেলসম্যান নিজাম উদ্দিন ও এরিয়া ম্যানেজার আবুল কালম আজাদ ওই ফার্মেসীতে আসলে আরিফ আমকে তার দোকানে যাওয়ার জন্য মোবাইল করেন। আমি সেখানে গিয়ে কোম্পানীর লোকজনদের কাছে জানতে চাই এগুলো নষ্ট আপনারা খেয়াল করবেন না ? এগুলো খাইলে পরে বাচ্চা তো মারা যাইতো ?  এসময় সেলসম্যান নিজাম উদ্দিন আমার সাথে চড়া ভাষায় কথা বলেন। এরিয়া ম্যানেজার আবুল কালাম আজাদ বলে আপনি বাড়িতে বসে এগুলো বোতলে ঢুকিয়ে নিয়ে এসেছেন। আপনাকে এখন পুলিশে ধরিয়ে দেব। এসময় স্থানীয় বিভিন্ন দোকানীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। আরিফ মেডিকেল হলের স্বত্তাধিকারী মোঃ আরিফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ওষুধে হয়তো বা হাওয়া ঢুকে নষ্ট হতে পারে। এজন্য কোম্পানীর লোকজনদের থাকবে শান্তনা মূলক কথাবর্তা। কিন্তু সেলসম্যান নিজাম উদ্দিন ও এরিয়া ম্যানেজার আবুল কালম আজাদ যেটা করেছেন সেটা অত্যান্ত দুঃখজনক। এরিয়া ম্যানেজার আবুল কালম আজাদ বলেন, আমাকে ওষুধের বোতলে কাঠেরগুড়ো আকৃতির ময়লা দেখানো হয়েছে। তিনি বলেন আমরা তো চাকরি করি, আমরা ঔষধ তৈরী করি না। কিভাবে এটা হলো তার জানা নেই। আমি উর্দ্ধতণ কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানাবো। ক্রেতা মনিরুজ্জামানকে পুলিশে দেওয়ার কথা অকপটে স্বীকার করে জানান, তিনি আমাকে দু‘বার আক্রমন করতে চেয়েছিলেন।



পুরোন সংবাদ দেখুন

প্রকাশকঃ মোহাম্মাদ রাজীব ।
সম্পাদকঃ মোস্তফা জামান (মিলন)
প্রধান নির্বাহী সম্পাদকঃ এ এম জুয়েল ।
মোবাইলঃ ০১৭১১৯৭৯৮৪৩
prothomsangbadbd@gmail.com

অফিসঃ প্রথম সংবাদ ডট কম
এক্সট্রিম আনলক, ফাতেমা সেন্টার
দোকান নং ৩১৪, ৪র্থ তলা (বিবির পুকুর পশ্চিম পাড়)
৫২৩ সদর রোড, বরিশাল - ৮২০০
বাংলাদেশ ।

© প্রথম সংবাদ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি Design & Developed By: Eng. Zihad Rana
Copy Protected by ENGINEER BD NETWORK