Mountain View
মহিপুরে শানু ঘরামী ৭৭ বছর বয়সে গ্রামে গ্রামে মসলা বিক্রি করে কষ্টের জীবন পার করছে


প্রকাশ : জুন ৪, ২০১৭ , ১০:০৯ অপরাহ্ণ
প্রথম সংবাদ ডেস্ক

মো ঃ হাবিবুল্লাহ খান রাবক্ষী
সরকারের জমির উপর ছোট একটি বসত ঘর। অবুজ দুটি ছেলে- মেয়ে, স্ত্রী আর নিজেকে নিয়ে মাত্র ৪ সদস্যের পরিবার। এই ছোট একটা পরিবার নিয়ে কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার নজিব পুর গ্রামের ভূমিহীন শানু মিয়া (৭৭), পিতা- মোঃ মুজাহার ঘরামীর বসত ঘর ও সংসার  জীবন। যে খানে মানুষের গড় আয়ু ৬০ বছর পরি সংখ্যন বলছে। সে খানে ৭৭ বছর বয়সে শানু ঘরামীর মাথায় করে গ্রামে গ্রামে মসলা বিক্রি করে সংসার চালানো চড়ম কষ্টেরকাল। ভূমিহীনদেরকে ভূমি বন্দোবস্ত দিয়ে সাবলম্বী বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা সরকার। সেই বিশ্বাসে গঠনতন্ত্র মেনে ভূমি বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। আবেদন নং- ৫৭৯১/২০০৯-১০।  আবেদনটিতে তৎকালীন কলাপাড়া উপজেলা আ’লীগের সাধারনন সম্পাদক এস এম রাকিবুল আহসান ও কলাপাড়া উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কর্তৃক সুপারিশ সিল স্বাক্ষর করেন। যাছাই পর্বে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পটুয়াখাল ( এস এ শাখা), স্মারক নং- ৩১.৩৪২.০০৯.০২.৩২.২৩৬(১).২০১১-৭৯৬। ২২ জনের তালিকায় ১১ নম্বরে রয়েছেন সানু ঘারামী। বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) গনকে অনুরোধ করেন, আহসান উল্লাহ ডেপুটি কালেক্টর, পটুয়াখালী ১৬/০৪/১৪। ইউনিয়ন ভূমি অফিস মহিপুর, কলাপাড়া। স্মারক নং-১১১/১৭। ২৬ নং জে এল শিববাড়িয়া মৌজার এস এ ৩৬৭ নং দাগটি ১নং খাস খতিয়ানের অর্ন্তভুক্ত । ওই দাগের মধ্যে মাত্র ৭৬ শতাং জমি। ওই জমিতে  ছয় পরিবারের বসত ঘর। দখল অনুপাতে যার যার নামে বন্দোবস্ত দেয়া যেতে পারে মর্মে প্রতিবেদন দিয়েছেন, সহকারী কমিশনার ভূমি, কলাপাড়া,পটুয়াখালী। উল্লেখ্য, বসত ঘরের বন্দোবস্তের  সাথে  পাশা-পাশি বহু দাগ খতিয়ান রয়েছে যা সরকারের খাস খতিয়ানে। ওই সকল খতিয়ান থেকে হলেও কৃষি জমি বন্দোবস্ত দেয়া হোক। এমন আবেদন করেই দুপুরের তাপদাহে বাধ্যক্যে ললিত ঘামন্ত চেহারার মধ্যে দিয়ে বুকের ভিতর থেকে চাপা কষ্টের তীব্রতায় হাউ মাউ করে কেদেঁ উঠলেন শানু ঘরামী। কষ্টের লোনা জল মুছতে মুছতে বললেন, কলাপাড়া উপজেলা কৃষি খাস জমি  ব্যাবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটি কর্তৃক তৎকালিন ৬ নং খাপড়া ভাঙ্গা ইউনিয়নের যাছাই বাছাইঅন্তে ভূমিহীন পরিবারদের অগ্রাধীকার তালিকায় ২৫৫ নং। জীবনের এই শেষ বেলায় মাথায় ফেরী করে আর পারছেননা তিনি। ভিক্ষা নয় বেচেঁ থাকলে কাজ করে খাবেন। তাই বড়ো আশায় বুক বেধেঁ সরকারের কাছে একটুকরো কৃষি জমি বন্দোবস্ত চেয়ে ছিলেন। অনেক জুয়ান বেটারা বন্দোবস্ত পাচ্ছে নিচ্ছে খাচ্ছে। কিন্তু বয়সের সন্ধ্যিকালে তাকে দেখার কেউ নেই।



পুরোন সংবাদ দেখুন

প্রকাশকঃ মোহাম্মাদ রাজীব ।
সম্পাদকঃ মোস্তফা জামান (মিলন)
প্রধান নির্বাহী সম্পাদকঃ এ এম জুয়েল ।
মোবাইলঃ ০১৭১১৯৭৯৮৪৩
prothomsangbadbd@gmail.com

অফিসঃ প্রথম সংবাদ ডট কম
এক্সট্রিম আনলক, ফাতেমা সেন্টার
দোকান নং ৩১৪, ৪র্থ তলা (বিবির পুকুর পশ্চিম পাড়)
৫২৩ সদর রোড, বরিশাল - ৮২০০
বাংলাদেশ ।

© প্রথম সংবাদ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি Design & Developed By: Eng. Zihad Rana
Copy Protected by ENGINEER BD NETWORK