Mountain View
বর্তমানে চাকুরি মানেই সোনার হরিণ!


প্রকাশ : জানুয়ারি ১৩, ২০১৬ , ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
প্রথম সংবাদ ডেস্ক
চাকুরি শব্দটা বর্তমান সভ্যতার তরুন-তরুনীদের অনেকটা আতঙ্ক বা ভাবনার নাম। আবার কেউ কেউ মনে করেন চাকুরি মানেই যেন সোনার হরিন। বাস্তব অর্থে ভুল নয়। একাবিংশ শতাব্দীর শেষ প্রান্তে এসে অসংখ্য শিক্ষিত তরুন-তরুনীরা বছরের পর বছর দিন-রাত অতিকষ্টে পড়াশুনা শেষ করে গাঁদা-গাঁদা সার্টিফিকেট অর্জন করেও ছাত্র জীবনের সমাপ্তির পর ভাবতে হয় কখন একখানা মন মতো চাকুরি হবে। কিন্তু সেই চাকুরি নামের “তিন” শব্দের কাছে অসংখ্য মেধাবীরা হারমেনে জীবন কাটাচ্ছেন অনিশ্চয়তা আর হতাশায়। আবার কেউবা চাকুরির আশায় বয়সের গন্ডি শেষ করেও চাকুরির সন্ধান না পেয়ে বেঁচে নিচ্ছেন সমাজের চতুর্থ শ্রেনীর কাজ। কারণ এই সমাজে চাকুরির মানেই টাকা। বর্তমান দেশে অধিকাংশ পরিবার বা মানুষজন মধ্যবিত্ত কিংবা নিম্নবিত্ত হওয়ায় অর্থের জোগান করতে না পারায় চাকুরির বাজারে অর্থের ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগীতার কাছে বার-বার হার মানতে হয়। বলতে গেলে, চাহিদার কাছে অর্থের যোগান বড়াবরেই অসহায়। আবার অনেকে চাকুরির আশায় মাথা গোঁজার শেষ সম্বলটুকু ধনবানদের দ্বারে বিক্রি করে টাকা-পয়সা দিলেও ভাগ্যে মেলেনা দু’মুঠো ডাল-ভাত খাওয়ার মতো মেলেনা সরকারি কিংবা বেসকোরি চাকুরি। কারণ মামা-ভাগ্নের সর্ম্পকের এই সমাজে দেশের সর্বোচ্চ ডিগ্রী তখন অসহায় হয়ে ডুকরে কেঁদে মরে। আর্তনাথ করে অনর্থক চেষ্টাকে ভাগ্যের নির্মম পরিহাস ভেবে নিয়তিকে দোহাই দিয়ে শত-শত শিক্ষিত তরুন-তরুনীরা গুটিয়ে ফেলে জীবন-যাপনের আশাতীত ছোট গল্পটি। এটাই হলো বর্তমান চাকুরির বাজারের বাস্তব অবস্থা। অথচ এসব দেখার কেউ নেই। উদাহারন সরুপ বলা যেতে পারে- গ্রাম থেকে ছুটে আসা কিংবা বড়-বড় শহরের বৃত্তের বাহিরে যাদের বসবাস সেসব শিক্ষিত জ্ঞানভান্ডার সম্পন্ন যুবক-যুবতীরা চাকুরির সময়সীমা হারিয়ে ডায়রির পাতায় লিখে নিজের জীবনের অসমাপ্ত গল্পগুলো। এ থেকে পরিত্রান পেতে হলে সমাজ সংস্কার কিংবা সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের শীর্ষ কর্তাদের মনমানসিকতা বদলাতে হবে। বদলাতে হবে অর্থের লোভ লালাসা। কারণ এই সমাজটা তো আমাদের। এসব জ্ঞান সম্পন্ন শিক্ষা-দীক্ষায় শিক্ষিত যুবক-যুবতীদের পথ সুগম করতে হবে। তাহলেই যেমন চাকুরি হবে যোগ্য সম্পন্নদের; তেমনি মেধাভিত্তিক একটি রাষ্ট্র গড়ে উঠবে। পরিবর্তন হবে দেশ ও জাতির। গঠন হবে নতুন আধুনিক সমাজ। এমন প্রত্যাশা একজন শিক্ষিত পাগলও কোন না কোন ভাবে আশা করতেই পারে। নিশ্চয় আমরা এই বৃত্তের বাহিরে নই। তাই সমাজ নীতি-নির্ধারকরা একটু ভেবে দেখবেন কি? আর তাই এখনি সময় অদৃশ্য অপশক্তির হাত থেকে নায্য পাওয়ার চাকুরির বাজারকে রক্ষা করার।


পুরোন সংবাদ দেখুন

প্রকাশকঃ মোহাম্মাদ রাজীব ।
সম্পাদকঃ মোস্তফা জামান (মিলন)
প্রধান নির্বাহী সম্পাদকঃ এ এম জুয়েল ।
মোবাইলঃ ০১৭১১৯৭৯৮৪৩
prothomsangbadbd@gmail.com

অফিসঃ প্রথম সংবাদ ডট কম
এক্সট্রিম আনলক, ফাতেমা সেন্টার
দোকান নং ৩১৪, ৪র্থ তলা (বিবির পুকুর পশ্চিম পাড়)
৫২৩ সদর রোড, বরিশাল - ৮২০০
বাংলাদেশ ।

© প্রথম সংবাদ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি Design & Developed By: Eng. Zihad Rana
Copy Protected by ENGINEER BD NETWORK