Mountain View
বাকেরগঞ্জ রমরমা মাদক ব্যানিজ্য চলাচ্ছে শামিম


প্রকাশ : অক্টোবর ১৮, ২০১৫ , ১২:৫৫ অপরাহ্ণ
প্রথম সংবাদ ডেস্ক

বাকেরগঞ্জ চরমদ্দী ইউনিয়নের যুবলীগ সভাপতি পরিচয় দিয়ে রমরমা মাদক ব্যানিজ্য চলাচ্ছে শামিম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরমদ্দী ইউনিয়নের বাদলপাড়া গ্রামের ইটালী ফেরত মো:শামিম খানের মাদক ব্যবসা এখন রমরমা। নিজেকে তিনি ক্ষমতাশীন দলের যুবলীগের সভাপতি দাবি করে গড়ে তুলছে মাদকের বিশাল স্বর্গরাজ্য। ক্ষমতাশীন দলের তকমা থাকায় বাকেরগঞ্জের থানা পুলিশও তার মাদক বানিজ্যে বাধা হয়ে দাড়ায়নি। আর তার আবাধ মাদক বানিজ্যে ধ্বংসের পথে ওই এলাকার যুবসমাজ মরন নেশা ইয়াবা, ফেন্সিডিল,গাঁজা, সহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য অসক্ত হয়ে পড়েছে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,বাকেরগঞ্জের ১নং চরামদ্দী ইউনিয়নের বাদলপাড়া গ্রামের মো:সেকান্দার আলী খানের ছোট ছেলে মো: শামিম খান ওরফে ইটালী শামিম (ওরফে) ফেন্সিডিল শামিম ৮/৯ বছর আগে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে সৌদি আরব যায়। পরর্বতীতে সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশীদের কে প্রতারনার ফাঁদে ফেলে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে চলে আসে।পরবর্তীতে ইউরোপের দেশ ইটালীতে অবৈধ পাড়ি জমায়। সেখানে কাগজ পত্র বিহীন ৪/৫মাস থাকার পর পুলিশের হাত আটক হয়ে প্রায় দেড় মাসের মত জেল খেটে বাংলাদেশে চলে আসে।পরবর্তীতে তার বোনের জামাতা ফার্মেসিতে হাতুরির ডাক্তারের সাইন বোর্ড লাগিয়ে গোপনে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যায়।পরে ওই এলাকায় ২০ দলের আবোরোধ ও হরতালে সময় পুলিশের টহল বেড়ে যাওয়ায় ফারর্মেসি বন্ধ করে। পরে তার সহযোগীদের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় হত দরিদ্র বেকার যুবকদের নিয়ে মাদক ব্যবসায় নেমে পড়ে। ২/৩ মাস আগে তার সহযোগী একই এলাকার তৈয়ব আলী খান এর পুত্র মটরসাইকেল চালক জুয়েল খানকে গোমার ফেরিঘাট বসে ৫০০ গ্রাম গাঁজা সহ আটক করে বাকেরগঞ্জ পুলিশ।সুত্র মতে জানা যায়,মাদক ব্যবসায়ী শামিম খান যশোরের বেনাপোল থেকে প্রতিমাসে প্রায়ই ১০ থেকে ১৫লক্ষ টাকার মত বিভিন্ন মাদক আমদানী করে। তার সহযোগীদের মাধ্যমে গোমাফেরিঘাট,মকিমাবাদ বাজার, বোর্ড স্কুল,বাদল পাড়া নদীর চর এলাকা, চরামদ্দী বাজার, মাঝের ব্রিজ, হলতার বাজার সহ গ্রাম ও ইউনিয়নের সরবারহ করে। প্রতিটি এলাকায়ই তার সহযোগীরা সক্রিয় রয়েছে তার সহযোগীদের মধ্যে রয়েছে,চরাদী হলতা বাজার এলাকায় কমান্ডার হিসেবে কাজ করে পান্নু খান এর পুত্র মো: আরিফ খান, বারেক খান এর পুত্র সোহাগ খান, মটরসাইকেল চালক সুজন ও নয়ন।এদের মধ্যে আরিফ সোহাগ এর নামে বাকেরগঞ্জ থানায় চুরি,ডাকাতি,অস্ত্র,মাদক,ঘড়পোড়া,নারী নিযার্তন সহ ১৪/১৫টি মামলা রয়েছে।বোর্ড স্কুল এলাকায় শামিম খানের মাদক ব্যবসার কমান্ডার হিসেবে কাজ করে গোপালপুর এলাকার এছাহাক হাওলাার এর পুত্র মো:জামাল হাওলাদার,মিরাজ পালোয়ানের পুত্র আনোয়ার সহ ৭/৮ জন সদস্য। চরমদ্দি বাজার এলাকায় কাজ করে চিহ্নত মাদক ব্যবসায়ী নয়ন,সুমন সহ বেশ কয়েক জন। এদের মাধ্যমে মাদক ব্যবসায়ী শামিম খান তার মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন সন্ধা হলেই দূরদুরান্ত থেকে মাদক সেবনকারীরা মটর সাইকেলে যোগে গবীর রাএে আনাগোনা করতে দেখাযায়। স্থানীয়রা আরো জানায়,কথিত যুবলীরে নেতা শামিম খানের কারনে ইয়াবা, ফেন্সিডিল, গাঁজা বিভিন্ন মাদক দ্রব চরামদি,চরাদ্দী, দাড়িয়াল,দুদাল ইউনিয়ে মুড়ি মত পাওয়া যাচ্ছে। হাতের নাগালেই মরন নেশা ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়ায় যুবসমাজ ঝুঁকে পড়ছে নেশায় হলে স্কুল কলেজ গামী মেয়রা ওই সকল বখে যাওয়া মাদক সেবিদের হাতে ইভটিংজিনের শিকার হচ্ছে। তারা আরো বলেন শামিম খান বাকেরগঞ্জ থানাকে প্রতিমাসে মোটা অংকের উৎকোজ দিয়ে থানাকে ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচ্ছে তার রমরমা মদক ব্যবসা। যেখানে পুলিশ প্রশাসন আইনের লোক হয়ে ভক্ষকের কাজ করে মাদক ব্যবসায়ী শামিম খানের টাকার কাছে বিক্রি হয় সেখানে স্থানীয়রা সাধারন জনগন প্রতিবাদ করেই কি করবে। তাদের মতে এখনই শামিম খানের মাদকের এ বানিজ্যের লাগাম টেনে ধরা না গেলে অদুর ভবির্ষ্যতে এলাকায় মাদকের স্বর্গ রাজ্য হিসেবে পরিচিত লাভ করবে বলে । এবিষয় শামিম খান জানায় আমি চরামাদ্দী উইনিয়নের যুবলীগের সভাপতি আমার ধারা একাজ কখনো সম্বব নয় বলে ফোন কেটে বন্ধ করে রাখে। এবিষয় একাদীক আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের নেতারা জানায় শামিম খান নামের কোন যুবলীগ নেতা নেই।



পুরোন সংবাদ দেখুন

সর্বাধিক পঠিত

প্রকাশকঃ মোহাম্মাদ রাজীব ।
সম্পাদকঃ মোস্তফা জামান (মিলন)
প্রধান নির্বাহী সম্পাদকঃ এ এম জুয়েল ।
মোবাইলঃ ০১৭১১৯৭৯৮৪৩
prothomsangbadbd@gmail.com

অফিসঃ প্রথম সংবাদ ডট কম
এক্সট্রিম আনলক, ফাতেমা সেন্টার
দোকান নং ৩১৪, ৪র্থ তলা (বিবির পুকুর পশ্চিম পাড়)
৫২৩ সদর রোড, বরিশাল - ৮২০০
বাংলাদেশ ।

© প্রথম সংবাদ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি Design & Developed By: Eng. Zihad Rana
Copy Protected by ENGINEER BD NETWORK