Mountain View
প্রিন্স মূসার বিরুদ্ধে দুদকের মিথ্যা মামলা ও এর প্রতিক্রিয়া


প্রকাশ : মার্চ ১১, ২০১৬ , ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
প্রথম সংবাদ ডেস্ক

ড. মূসা বিন শমশের বাংলাদেশী বংশদ্ভূত আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যাবসায়ী যিনি প্রিন্স মূসা নামেই আন্তর্জাতিক ভাবে পরিচিত। বিশ্বের ৪০ টি দেশের সামরিক বাহিনীর সাথে যার ছিল অস্ত্র ব্যাবসা। সামগ্রিক ভাবে বাংলাদেশের গর্ব প্রিন্স মূসা। যিনি বাংলাদেশকে চিনিয়েছেন সমগ্র বিশ্ব দরবারে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপ্রেরণায় যার উত্থান জনশক্তি রপ্তানীর মাধ্যমে। পরবর্তীতে এর ধারাবাহিকতায় প্রিন্স মূসা তার বলিষ্ঠ উদ্যোগে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জনশক্তি রপ্তানীর দ্বার প্রসারিত করেন। তার মহান অবদানের জন্য তাকে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানীর প্রবাদ পুরুষ ও অর্থনৈতিক মুক্তির জনক বলা হয়। তার বিরুদ্ধে সম্পদের ভূল তথ্য প্রদানের জন্য রাজধানীর রমনা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন দুদকের প্রতিনিধি জনাব জয়নাল আবেদিন শিবলী। এবিষয়ে আমাদের বিস্তারিত কথা হয় তার ব্যাবসায়ীক প্রতিষ্ঠান DATCO গ্রুপের একজন কর্মকর্তার সাথে যিনি বিষয়টি আমাদের কাছে ব্যাখ্যা করেছেন এভাবেঃ জনাব প্রিন্স মূসা দুদকের বিভিন্ন জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে যেসব তথ্য উপাথ্য উপস্থাপন করেছেন তা সম্পূর্ণ সঠিক। দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় আইন জীবীদের সহায়তায় সঠিক তথ্য প্রমান ও দলিল সহ তিনি তার সম্পদের বিবরণী দুদকের কাছে পেশ করেছেন। এ ব্যাপারে দুদকের সন্দেহ ও মামলার বিষয়টি তার কাছে সন্দেহের জন্ম দিয়েছে যা তিনি ষড়যন্ত্র হিসেবে মনে করছেন। তিনি আরও মনে করেন, প্রিন্স মূসার কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই, তিনি ব্যাক্তিগত ভাবে বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলকেই সমর্থন করেন না। অথচ ব্যাক্তিগত উদ্যোগে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নে অবদান রেখে যাচ্ছেন দীর্ঘ ৪৫ বছর থেকে। গত ২ বছর আগে বাংলাদেশ টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে জনাব মূসা ঘোষণা করেন পদ্মা সেতু নির্মাণে সরকারকে ৩ বিলিয়ন ডলার সহায়তার। সর্বশেষ ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে দুদকে হাজির হয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণের আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এতে করেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। বিশেষ করে তিনি মনে করেন তার এই পদ্মা সেতু নির্মাণের ঘোষণা বাংলাদেশের সরকার স্বাভাবিক ভাবে গ্রহণ করতে পারেনি এবং এতে সরকারের ভাবমূর্তি অনেক নষ্ট হয়েছে বলেই তাকে হয়রানি করার উদ্দেশে এই মামলা দুদকের মাধ্যমে করা হয়েছে যা তারা আইনি ভাবেই মোকাবেলা করবেন বলে তিনি জানান। সুইচ ব্যাংকের জব্দকৃত টাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনাব মূসা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে সমরাস্ত্র ব্যাবসায় যুক্ত ছিলেন। বিভিন্ন দেশ থেকে অর্জিত টাকা তিনি জমা করেছেন সুইচ ব্যাংকে। পরবর্তীতে ২০০৭ সালের পর থেকে স্থায়ীভাবে তিনি দেশে অবস্থান শুরু করেন এবং সুইচ ব্যাংকে তার লেনদেন অনিয়মিত হয়ে পরে বিধায় তার হিসাব টি সাময়িক ভাবে ফ্রিজ করে রাখা হয়। সুইচ ব্যাংকের এই এখতিয়ার আছে তাদের গ্রাহকের হিসাব সাময়িক ভাবে ফ্রিজ করে রাখার। এমনকি বাংলাদেশেও এই ব্যাংকিং পলিসি বিদ্যমান। জনাব প্রিন্স মূসা তার হিসাব অবমুক্ত করার জন্য আইনী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। মামলার রায় তার পক্ষে আসা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। ততদিন ধৈর্য ধরে থাকা ছাড়া কোন উপায় নেই।



পুরোন সংবাদ দেখুন

সর্বাধিক পঠিত

প্রকাশকঃ মোহাম্মাদ রাজীব ।
সম্পাদকঃ মোস্তফা জামান (মিলন)
প্রধান নির্বাহী সম্পাদকঃ এ এম জুয়েল ।
মোবাইলঃ ০১৭১১৯৭৯৮৪৩
prothomsangbadbd@gmail.com

অফিসঃ প্রথম সংবাদ ডট কম
এক্সট্রিম আনলক, ফাতেমা সেন্টার
দোকান নং ৩১৪, ৪র্থ তলা (বিবির পুকুর পশ্চিম পাড়)
৫২৩ সদর রোড, বরিশাল - ৮২০০
বাংলাদেশ ।

© প্রথম সংবাদ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি Design & Developed By: Eng. Zihad Rana
Copy Protected by ENGINEER BD NETWORK