Mountain View
প্রিন্সমূসা আধুনিক সভ্যতার মূর্ত প্রতীক ও তার অমর কৃতি


প্রকাশ : মার্চ ৩০, ২০১৬ , ৬:২০ অপরাহ্ণ
প্রথম সংবাদ ডেস্ক

স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশ ছিল যুদ্ধ বিধ্বস্ত, ভয়ংকর দুর্দশাগ্রস্ত, দুর্ভিক্ষপীড়িত সম্প্রদায় ও জাতি। বাংলার আকাশে ছিল এক মহা দুযোর্গের ঘনঘটা। ঠিক হঠাৎই ঐশ্বরিকভাবে এক অর্থনৈতিক রেনেসাঁর মাধ্যমে সূচনা হয় বাঙ্গালী জাতির ভাগ্যে এক নবদিগন্ত। যখন সেই রেনেসাঁর একমাত্র উৎস ও মুক্তির সোপান জনশক্তি রপ্তানির আতুরঘর থেকে গগণচুম্বী উন্নয়ণের ইতিহাস লেখা হবে তখন বাংলার প্রতিটি ঘর হবে উৎসবে মাতোয়ারা। আর সমগ্র বাংলার আকাশ আতশবাজিসম লক্ষ লক্ষ উজ্জ্বল নক্ষত্রের আলোক রশ্মিতে উদ্ভাসিত হবে। তখন সবার উপরে এবং সর্ব উচ্চে শির উচুঁ করে একটি নামই গর্বের সাথে বিরাজ করবে জীবন্ত কিংবদন্তি প্রিন্স ড. মূসা বিন শমশের। ড. মূসা বিন শমশের এক অবিসংবাদিত কিংবদন্তি, বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি ও অর্থনৈতিক মুক্তির জনক। ড. মূসা বিন শমশের বাংলার সেই সূর্য সন্তান যিনি উজ্জ্বল এক নক্ষত্র হয়ে দেখা দিয়েছিলেন এই জাতির ভাগ্যাকাশে, চিরতরে বদলে দিয়েছিলেন বাঙ্গালী জাতির ভবিষ্যৎ। আর তাইতো এই মহান স্বপ্ন দ্রষ্টার কাছে জাতি আজ চিরঋণী। সমগ্র বাঙ্গালী জাতি আর একটি অবিশ্বাস্য ও অভূতপূর্ব অবদানের জন্য প্রিন্স মূসার কাছে চিরদিন কৃতজ্ঞতার বন্ধনে আবদ্ধ থাকবে কারণ ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্টের চেয়েও কোটি কোটি গুণ ভয়ংকর সন্ত্রাসী গ্রুপ আল কায়দা ও পাকিস্তানের আই.এস.আই এর অনিবার্য আক্রমন ও অবধারিত অপমৃত্যুর হাত থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার দলের ১০ জন শীর্ষ নেতাদের বাঁচিয়েছিলেন অত্যন্ত গোপনে। এটা শুধু শেখ হাসিনা ও গুটি কয়েকজন ছাড়া কেউ জানতেন না। তিনি বিশ্বমঞ্চের এক অনন্য ব্যক্তিত্ব, নন্দিত ধনকুবের যার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন পরাক্রমশালী দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমে সাড়া ফেলে দিয়েছিল। বিশ্বের অন্যতম মোহনীয় ব্যক্তিত্বের স্বীকৃতি অনেক আগেই মিলেছিল ড. মূসা বিন শমশেরের। একই সাথে বিশ্ববরেণ্য সেলিব্রেটি হিসেবে পশ্চিমা সমাজে সমাদৃত হন তিনি এবং নেলসন ম্যান্ডেলাসহ বিভিন্ন মহাপরাক্রমশালী রাষ্ট্রপ্রধানদের প্রিয় পাত্রে পরিণত হন। ড. মূসা বিন শমশের শুধু বিশ্বের সবচেয়ে স্টাইলিষ্ট আইকন এবং বেস্ট ড্রেসড ম্যানই নন, একই সাথে তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে খ্যাতিমান ও আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত বিজনেস্ টাইকুন ও ধনকুবের। এফ.আই.ইউ – এর দেয়া তথ্য অনুসারে মাল্টাকেন্দ্রিক এক বিখ্যাত সিএ নিরীক্ষা সংস্থা এর ২০০৭ সালের প্রতিবেদনে প্রকাশ করে যে, ড. মূসা বিন শমশেরের সম্পদের পরিমান ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার সিংহভাগই এসেছে যুদ্ধবিমান, ট্যাংক ও আইসিবিএম ক্রয়-বিক্রয়ের মতো আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসা এবং রাষ্ট্রক্ষমতা পালাবদলের মধ্যস্থতা (পাওয়ার ব্রোকারেজ) থেকে। এসব ব্যবসার সবই বাংলাদেশের বাইরে করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এফ.আই.ইউ -এর এমন নির্লজ্জ্য কাজে ব্যথিত হন এই বিলিওনিয়ার। প্রিন্স মূসা একজন খ্যাতিমান ও সম্মানিত আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসায়ী এবং আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবসায় একজন প্রবাদপ্রতীম ব্যক্তিত্ব। পাশাপাশি আধুনিক কালের সবচেয়ে চৌকস প্রতিরক্ষা কৌশলবিদও তিনি। প্রিন্স মূসা আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবসায় নতুন এক দিগন্ত উন্মোচন করেছেন এবং পৃথিবীর বহু দেশকে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সহায়তা করেছেন। সুতরাং বিশ্ব মিডিয়ায়তাকে “সোনার ছেলে ও সূর্যসন্তান বলে সম্বোধন করাটা মোটেও অত্যুক্তি নয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তাকে যে ব্যাপক কাভারেজ দেয়া হয়েছে সেখানে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, কতটা উঁচু মাপের মানুষ তিনি। তার রাজকীয় জীবনধারা, অভিজাত পরিচ্ছদ, বিপুল ঐশ্বর্য্য এবং অল্প বয়সেই ঈর্ষনীয় উত্থান যে কোন লোকগাথা বা রূপকথাকেও হার মানায়। বিশ্বের বড় বড় স্থানে নামি – দামী ব্যক্তিদের কাছে তিনি নিজেই এখন এক জীবন্ত রূপকথা। আভিজাত্য, ফ্যাশন ও স্টাইলের জলজ্যান্ত প্রতীক, আধুনিক সভ্যতার আলোকচারী এমন নানা খেতাবে গত চার দশক ধরে বিশ্বখ্যাত ফ্যাশন ম্যাগাজিনগুলোতে ভূষিত করা হয়েছে প্রিন্স মূসাকে। এই আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসায়ী বিশ্বের দরবারে প্রথম সারির ব্যক্তিত্ব তিনি মানুষের কাছে, বিশেষ করে পশ্চিমা সমাজে, প্রিন্স অফ বাংলাদেশ নামেই পরিচিত। এটাই সত্য, এটাই বাস্তব, এটাই চিরন্তন, কারণ বিশ্বের সমস্ত নিপীড়িত মানুষের ত্রাণকর্তা ও মুক্তির দূত, অন্যতম শ্রেষ্ঠ মানবসন্তান নেলসন ম্যান্ডেলা এবং বৃটিশ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লৌহমানবী মার্গারেট থ্যাচার পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যমের সাথে তাল মিলিয়ে একই সুরে, বলিষ্ঠ কন্ঠে বলেছিলেন আধুনিক বিশ্ব সভ্যতার মূর্ত প্রতীক হিসাবে প্রিন্স মূসা সমৃদ্ধ করেছেন বর্তমান বিশ্ব সভ্যতা। তিনি বিশ্বের সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ স্টাইলিশ আইকন, ফ্যাশন রাজ্যের অপ্রতিদ্বন্দী সম্রাট হিসাবে আলোকিত করেছেন বিশ্বের মানবসভ্যতা ও বনেদী সম্প্রদায়কে। তাইতো রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন শির উঁচু করে তাবত দুনিয়াকে বলে গেছেন, প্রিন্স মূসা দ্য প্রিন্স অফ প্রিন্সেস। বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পত্রিকা লন্ডন টেলিগ্রাফের ঐতিহাসিক ও বিশ্বে সাড়া জাগানো সংখ্যার একক প্রচ্ছদে বর্ণিত প্রিন্স মূসা বিশ্বের ভয়ংকর ধনী, বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মহামানব এবং Man with the Golden Guns, আরও অনেক বিশেষণে বিশেষিত মহামানব হিসাবেই অমর হয়ে থাকবেন তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ভাষার ইতিহাসের পাতায় অনন্তকাল। তিনিই বাংলার এই বিরল বঙ্গসন্তান।



পুরোন সংবাদ দেখুন

সর্বাধিক পঠিত

প্রকাশকঃ মোহাম্মাদ রাজীব ।
সম্পাদকঃ মোস্তফা জামান (মিলন)
প্রধান নির্বাহী সম্পাদকঃ এ এম জুয়েল ।
মোবাইলঃ ০১৭১১৯৭৯৮৪৩
prothomsangbadbd@gmail.com

অফিসঃ প্রথম সংবাদ ডট কম
এক্সট্রিম আনলক, ফাতেমা সেন্টার
দোকান নং ৩১৪, ৪র্থ তলা (বিবির পুকুর পশ্চিম পাড়)
৫২৩ সদর রোড, বরিশাল - ৮২০০
বাংলাদেশ ।

© প্রথম সংবাদ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি Design & Developed By: Eng. Zihad Rana
Copy Protected by ENGINEER BD NETWORK