দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সারাদেশে একযোগে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় পাঁচ কোটি শিশুকে বিনামূল্যে ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়ার লক্ষ্যে আজ এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
রোববার সকাল ৯টা ২০ মিনিটে রাজধানীর আজিমপুরে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা কেন্দ্রে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
এই এক মাসব্যাপী টিকাদান ক্যাম্পেইনে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রতিটি শিশুকে এক ডোজ ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, জন্মসনদ না থাকলেও শিশুরা এই টিকার আওতায় আসবে, যাতে কোনো শিশুই বাদ না পড়ে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন,
“টাইফয়েডে এখনও দেশের শিশুদের মৃত্যু হয় — এটা আমাদের লজ্জার বিষয়। ডায়রিয়া, রাতকানা রোগসহ অনেক কিছু আমরা প্রতিরোধ করেছি, এবার টাইফয়েড প্রতিরোধেও সফল হবো ইনশাআল্লাহ।”
তিনি আরও জানান, এই টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের শিশু মৃত্যুহার আরও কমে আসবে।
এটি দেশের প্রথম জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট তৈরি করেছে টিকাটি, যা বাংলাদেশ সরকার পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভি (GAVI)-র সহায়তায়।

শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৫
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সারাদেশে একযোগে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় পাঁচ কোটি শিশুকে বিনামূল্যে ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়ার লক্ষ্যে আজ এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
রোববার সকাল ৯টা ২০ মিনিটে রাজধানীর আজিমপুরে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা কেন্দ্রে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
এই এক মাসব্যাপী টিকাদান ক্যাম্পেইনে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রতিটি শিশুকে এক ডোজ ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, জন্মসনদ না থাকলেও শিশুরা এই টিকার আওতায় আসবে, যাতে কোনো শিশুই বাদ না পড়ে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন,
“টাইফয়েডে এখনও দেশের শিশুদের মৃত্যু হয় — এটা আমাদের লজ্জার বিষয়। ডায়রিয়া, রাতকানা রোগসহ অনেক কিছু আমরা প্রতিরোধ করেছি, এবার টাইফয়েড প্রতিরোধেও সফল হবো ইনশাআল্লাহ।”
তিনি আরও জানান, এই টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের শিশু মৃত্যুহার আরও কমে আসবে।
এটি দেশের প্রথম জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট তৈরি করেছে টিকাটি, যা বাংলাদেশ সরকার পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভি (GAVI)-র সহায়তায়।

আপনার মতামত লিখুন