বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নির্দেশনা জারি করেছে, যেখানে মাত্র ২% ডাউন-পেমেন্টে খেলাপি ঋণ সর্বোচ্চ ১০ বছরের জন্য পুনঃতপশিল করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি থাকছে ২ বছরের গ্রেস পিরিয়ড এবং সংশ্লিষ্ট খাতের ন্যূনতম সুদহার থেকেও ১% কম সুদে ঋণ পরিশোধের সুবিধা।
খেলাপি ঋণ ১০ বছরে ভাগ করে পরিশোধের সুযোগ
২% ডাউন-পেমেন্টে পুনঃতপশিল
২ বছরের গ্রেস পিরিয়ড
ন্যূনতম সুদহার থেকে ১% কম সুদে পরিশোধ
সর্বোচ্চ ৩০০ কোটি টাকার ঋণ ব্যাংক নিজেরাই সমাধান করবে
৩০০ কোটি টাকার বেশি হলে আবেদন যাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের বাছাই কমিটিতে
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ সুবিধা নিতে হলে ঋণগ্রহীতাকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে আবেদন করতে হবে। আবেদনের ছয় মাসের মধ্যে ব্যাংককে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে হবে।
গত সরকারের সময়ে বিশেষ বিবেচনায় ঋণ পুনঃতপশিল ও পুনর্গঠনের সুযোগ থাকলেও বর্তমানে খেলাপি ঋণ ৫ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। দ্রুত বাড়তে থাকা খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ ও ব্যাংক খাতকে স্থিতিশীল করতে এই নীতি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ইতোমধ্যে তিনবার বা তার বেশি পুনঃতপশিল করা হলে অতিরিক্ত ১% ডাউন-পেমেন্ট দিতে হবে।
ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
বিশেষ সুবিধা পাওয়া ঋণকে SMA (Special Mention Account) হিসেবে শ্রেণিকরণ করতে হবে এবং সাধারণ প্রভিশন রাখতে হবে।
প্রকৃত আদায় ছাড়া কোনো ঋণকে ব্যাংকের আয় খাতে স্থানান্তর করা যাবে না।
সুবিধা নেওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ব্যাংক ও গ্রাহককে সোলেনামার মাধ্যমে চলমান মামলার কার্যক্রম স্থগিতের ব্যবস্থা করতে হবে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, খেলাপি ঋণের এই নতুন নীতি ব্যাংক খাতকে কিছুটা স্বস্তি দেবে। তবে নীতির অপব্যবহার হলে তা আরও বিপদ ডেকে আনতে পারে। এজন্য প্রয়োজন স্বচ্ছতা, কঠোর নজরদারি এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের সহায়তা।

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নির্দেশনা জারি করেছে, যেখানে মাত্র ২% ডাউন-পেমেন্টে খেলাপি ঋণ সর্বোচ্চ ১০ বছরের জন্য পুনঃতপশিল করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি থাকছে ২ বছরের গ্রেস পিরিয়ড এবং সংশ্লিষ্ট খাতের ন্যূনতম সুদহার থেকেও ১% কম সুদে ঋণ পরিশোধের সুবিধা।
খেলাপি ঋণ ১০ বছরে ভাগ করে পরিশোধের সুযোগ
২% ডাউন-পেমেন্টে পুনঃতপশিল
২ বছরের গ্রেস পিরিয়ড
ন্যূনতম সুদহার থেকে ১% কম সুদে পরিশোধ
সর্বোচ্চ ৩০০ কোটি টাকার ঋণ ব্যাংক নিজেরাই সমাধান করবে
৩০০ কোটি টাকার বেশি হলে আবেদন যাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের বাছাই কমিটিতে
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ সুবিধা নিতে হলে ঋণগ্রহীতাকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে আবেদন করতে হবে। আবেদনের ছয় মাসের মধ্যে ব্যাংককে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে হবে।
গত সরকারের সময়ে বিশেষ বিবেচনায় ঋণ পুনঃতপশিল ও পুনর্গঠনের সুযোগ থাকলেও বর্তমানে খেলাপি ঋণ ৫ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। দ্রুত বাড়তে থাকা খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ ও ব্যাংক খাতকে স্থিতিশীল করতে এই নীতি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ইতোমধ্যে তিনবার বা তার বেশি পুনঃতপশিল করা হলে অতিরিক্ত ১% ডাউন-পেমেন্ট দিতে হবে।
ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
বিশেষ সুবিধা পাওয়া ঋণকে SMA (Special Mention Account) হিসেবে শ্রেণিকরণ করতে হবে এবং সাধারণ প্রভিশন রাখতে হবে।
প্রকৃত আদায় ছাড়া কোনো ঋণকে ব্যাংকের আয় খাতে স্থানান্তর করা যাবে না।
সুবিধা নেওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ব্যাংক ও গ্রাহককে সোলেনামার মাধ্যমে চলমান মামলার কার্যক্রম স্থগিতের ব্যবস্থা করতে হবে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, খেলাপি ঋণের এই নতুন নীতি ব্যাংক খাতকে কিছুটা স্বস্তি দেবে। তবে নীতির অপব্যবহার হলে তা আরও বিপদ ডেকে আনতে পারে। এজন্য প্রয়োজন স্বচ্ছতা, কঠোর নজরদারি এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের সহায়তা।

আপনার মতামত লিখুন