হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্রসংসদ (হাকসু) নির্বাচনের দাবি উঠলেও বাস্তবে অগ্রগতি খুবই ধীর। প্রায় দেড় মাস আগে প্রশাসন আট সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করলেও এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এতে প্রশাসনের আন্তরিকতার অভাব স্পষ্ট।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জাকসু নির্বাচন ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাকসু এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসু নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ও নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে।
কিন্তু হাবিপ্রবিতে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে শিক্ষার্থীরা হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
গত বছরের আগস্ট থেকে হাকসু নির্বাচন আয়োজনের দাবি জোরালো হয়। ২৭ জুলাই হাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের দুই কর্মী অনশনে বসেন। প্রশাসন তাদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন আয়োজনের আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা অনশন ভাঙেন।
পরদিনই কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ মন্ডলকে আহ্বায়ক এবং উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. এস. এম. এমদাদুল হাসানকে সদস্য সচিব করে আট সদস্যের কমিটি ঘোষণা করে প্রশাসন। কিন্তু দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি।
হাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ফরহাদ ইসলাম বলেন:
“আমরা হাকসু চাই। তবে তার আগে প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার এবং জুলাই আন্দোলনে হামলাকারীদের বিচার জরুরি। অন্যথায় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”
অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি রেজওয়ানুল হক জানান:
“আমরা দ্রুততম সময়ে হাকসু নির্বাচন চাই। এজন্য কর্মসূচি চলবে এবং শিগগিরই প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।”
আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ মন্ডল বলেন:
“আমরা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠনতন্ত্র পর্যালোচনা করছি। যাচাই-বাছাই শেষে শিগগিরই গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করা হবে।”

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্রসংসদ (হাকসু) নির্বাচনের দাবি উঠলেও বাস্তবে অগ্রগতি খুবই ধীর। প্রায় দেড় মাস আগে প্রশাসন আট সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করলেও এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এতে প্রশাসনের আন্তরিকতার অভাব স্পষ্ট।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জাকসু নির্বাচন ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাকসু এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসু নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ও নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে।
কিন্তু হাবিপ্রবিতে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে শিক্ষার্থীরা হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
গত বছরের আগস্ট থেকে হাকসু নির্বাচন আয়োজনের দাবি জোরালো হয়। ২৭ জুলাই হাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের দুই কর্মী অনশনে বসেন। প্রশাসন তাদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন আয়োজনের আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা অনশন ভাঙেন।
পরদিনই কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ মন্ডলকে আহ্বায়ক এবং উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. এস. এম. এমদাদুল হাসানকে সদস্য সচিব করে আট সদস্যের কমিটি ঘোষণা করে প্রশাসন। কিন্তু দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি।
হাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ফরহাদ ইসলাম বলেন:
“আমরা হাকসু চাই। তবে তার আগে প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার এবং জুলাই আন্দোলনে হামলাকারীদের বিচার জরুরি। অন্যথায় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”
অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি রেজওয়ানুল হক জানান:
“আমরা দ্রুততম সময়ে হাকসু নির্বাচন চাই। এজন্য কর্মসূচি চলবে এবং শিগগিরই প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।”
আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ মন্ডল বলেন:
“আমরা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠনতন্ত্র পর্যালোচনা করছি। যাচাই-বাছাই শেষে শিগগিরই গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন