বাংলা চলচ্চিত্রের অমর নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় ২৯ বছর পর তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সালমানের মামা মোহাম্মদ আলমগীর রাজধানীর রমনা থানায় এই মামলা করেন, যেখানে অভিযুক্ত করা হয়েছে তাঁর স্ত্রী সামিরা হকসহ মোট ১১ জনকে।
এই মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন —
সামিরা হক, আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবি, এ. সাত্তার, সাজু ও রিজভি আহমেদ ফারহাদ।
মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক সোমবার রমনা থানার ওসি-কে নির্দেশ দেন, সালমান শাহর মৃত্যুকে হত্যা মামলা হিসেবে বিবেচনা করে পুনঃতদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করতে।
আদালত পূর্বে দায়ের করা অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা (Unnatural Death Case) বাতিল ঘোষণা করেন। এ নির্দেশ ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবরের আদেশের মাধ্যমে কার্যকর হয়।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মা নীলুফার জমান চৌধুরী (নীলা), বাবা কামার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ও ছোট ছেলে শাহরান শাহ তাঁর নিউ ইস্কাটনের বাসায় যান।
তখন সালমানের স্ত্রী সামিরা ও তাদের গৃহকর্মী জানান, সালমান ঘুমাচ্ছেন।
কিছুক্ষণ পর প্রযোজক সিদ্দিকও দেখা করতে আসেন, কিন্তু সালমানের পরিবারের সদস্যরা তখন চলে যান।
পরে দুপুরে প্রোডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের বাসায় কিছু একটা ঘটেছে। পরিবার ছুটে গেলে দেখা যায়, সালমান বিছানায় নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে আছেন। কিছু অচেনা নারী তাঁর হাত-পায়ে তেল মালিশ করছিলেন, পাশের ঘরে সামিরার আত্মীয় রুবি বসে ছিলেন।
সালমানের মা তখনই ছেলেকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে গলায় দড়ির দাগ ও শরীর নীলচে হয়ে যাওয়া দেখা যায়।
এরপর তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক জানান, তিনি আগেই মারা গেছেন।
ঘটনার পর সালমানের বাবা প্রথমে অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা দায়ের করেন।
১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই তিনি আদালতে আবার আবেদন করেন, সালমানের মৃত্যুকে হত্যা মামলা হিসেবে বিবেচনা করতে।
বর্তমানে মামলাটি পুনরায় অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। সালমানের মামা আলমগীর জানিয়েছেন,
“আমার দুলাভাই (সালমানের বাবা) মারা গেছেন। তাঁর আইনগত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অনুযায়ী আমি এখন মামলাটি চালিয়ে যাচ্ছি।”
বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি সালমান শাহর মৃত্যু আজও রহস্যে ঢাকা। প্রায় তিন দশক পর নতুন এই হত্যা মামলা তাঁর মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে আবারও আলোচনায় ফিরিয়ে এনেছে।

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৫
বাংলা চলচ্চিত্রের অমর নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় ২৯ বছর পর তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সালমানের মামা মোহাম্মদ আলমগীর রাজধানীর রমনা থানায় এই মামলা করেন, যেখানে অভিযুক্ত করা হয়েছে তাঁর স্ত্রী সামিরা হকসহ মোট ১১ জনকে।
এই মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন —
সামিরা হক, আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবি, এ. সাত্তার, সাজু ও রিজভি আহমেদ ফারহাদ।
মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক সোমবার রমনা থানার ওসি-কে নির্দেশ দেন, সালমান শাহর মৃত্যুকে হত্যা মামলা হিসেবে বিবেচনা করে পুনঃতদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করতে।
আদালত পূর্বে দায়ের করা অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা (Unnatural Death Case) বাতিল ঘোষণা করেন। এ নির্দেশ ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবরের আদেশের মাধ্যমে কার্যকর হয়।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মা নীলুফার জমান চৌধুরী (নীলা), বাবা কামার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ও ছোট ছেলে শাহরান শাহ তাঁর নিউ ইস্কাটনের বাসায় যান।
তখন সালমানের স্ত্রী সামিরা ও তাদের গৃহকর্মী জানান, সালমান ঘুমাচ্ছেন।
কিছুক্ষণ পর প্রযোজক সিদ্দিকও দেখা করতে আসেন, কিন্তু সালমানের পরিবারের সদস্যরা তখন চলে যান।
পরে দুপুরে প্রোডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের বাসায় কিছু একটা ঘটেছে। পরিবার ছুটে গেলে দেখা যায়, সালমান বিছানায় নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে আছেন। কিছু অচেনা নারী তাঁর হাত-পায়ে তেল মালিশ করছিলেন, পাশের ঘরে সামিরার আত্মীয় রুবি বসে ছিলেন।
সালমানের মা তখনই ছেলেকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে গলায় দড়ির দাগ ও শরীর নীলচে হয়ে যাওয়া দেখা যায়।
এরপর তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক জানান, তিনি আগেই মারা গেছেন।
ঘটনার পর সালমানের বাবা প্রথমে অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা দায়ের করেন।
১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই তিনি আদালতে আবার আবেদন করেন, সালমানের মৃত্যুকে হত্যা মামলা হিসেবে বিবেচনা করতে।
বর্তমানে মামলাটি পুনরায় অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। সালমানের মামা আলমগীর জানিয়েছেন,
“আমার দুলাভাই (সালমানের বাবা) মারা গেছেন। তাঁর আইনগত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অনুযায়ী আমি এখন মামলাটি চালিয়ে যাচ্ছি।”
বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি সালমান শাহর মৃত্যু আজও রহস্যে ঢাকা। প্রায় তিন দশক পর নতুন এই হত্যা মামলা তাঁর মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে আবারও আলোচনায় ফিরিয়ে এনেছে।

আপনার মতামত লিখুন