বাংলাদেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য একটি স্বর্গসদৃশ দেশ। বর্ষার সময় হাওরগুলো যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে – চারদিকে সবুজ, জলরাশি, হিজল ও করচের বন, মেঘে ঢাকা আকাশ এবং বাতাসের সতেজতা। বর্ষায় ঘুরতে গেলে এই সৌন্দর্য আরও প্রাণবন্ত লাগে। চলুন দেখি ৫টি বিখ্যাত হাওরের ভ্রমণ এবং যেভাবে পৌঁছাবেন তা।
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার এই হাওরকে বলা হয় ‘নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল’। প্রায় ২০০ প্রজাতির গাছপালা ও জলজ প্রাণীতে সমৃদ্ধ। বর্ষায় হাওরটি যেন সাগরের মতো বিস্তৃত হয়। হাওরে হাউস বোট ও ইঞ্জিনচালিত নৌকার সুবিধা রয়েছে।
যেভাবে যাবেন: সুনামগঞ্জ জেলা শহরে পৌঁছে বাসস্ট্যান্ড থেকে সাহেববাজার ঘাটে রিকশায় যান। সেখানে ইঞ্জিন বোট ভাড়া করে সরাসরি হাওরে যেতে পারবেন।
কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওর বর্ষায় পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয়। হিজল ও করচের বন, পানির নিচ থেকে উঠে আসা প্রাকৃতিক দৃশ্য মনে রাখার মতো।
যেভাবে যাবেন: কিশোরগঞ্জ জেলা শহরে পৌঁছে কালিয়াচাপরা সুগার মিল এলাকা থেকে সিএনজি অটোরিকশায় হাওরে যাওয়া যায়।
নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনার বিস্তীর্ণ জলাভূমি। বর্ষায় বিলগুলো জল-থইথই হয়ে ওঠে। হজরত ঘাসী দেওয়ান (রহ.)-এর মাজার, সাবমার্সিবল সড়ক এবং ‘স্বর্ণদ্বীপ’ দেখার মতো জায়গা।
যেভাবে যাবেন: নাটোরের গুরুদাসপুর বা শহর থেকে বাস ও নৌকা ভাড়া করে মূল চলনবিলের অংশে পৌঁছানো যায়।
মৌলভীবাজারে অবস্থিত এ হাওর ২০,৪০০ হেক্টর বিস্তৃত। বর্ষাকালে ২৩৮টি বিল ও ১০টি নদী একীভূত হয়ে অপরূপ দৃশ্য তৈরি করে। মাছ ধরার উৎসব এবং অতিথি পাখি পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যটকদের প্রিয়।
যেভাবে যাবেন: ঢাকার কমলাপুর ও ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশন থেকে ট্রেন অথবা বাসে সিলেট আসুন। কুলাউড়া বা বড়লেখা নেমে অটোরিকশা বা বাসে হাওরে পৌঁছানো যায়।
মৌলভীবাজারের ভানু হাওর বর্ষায় অত্যন্ত মনোরম। পানির মধ্যে হিজল ও করচের বন, বিভিন্ন জলজ প্রাণী পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।
যেভাবে যাবেন: সিলেট থেকে স্থানীয় বাস বা অটোরিকশা ভাড়া করে পৌঁছানো যায়।
মৌলভীবাজারের আরেকটি আকর্ষণীয় হাওর। বর্ষায় জলরাশি ও সবুজ বন পরিবেশকে করে আরো মোহনীয়।
যেভাবে যাবেন: স্থানীয় ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করে হাওরে পৌঁছানো যায়।
সিলেট জেলার কমলগঞ্জের এই হাওর বর্ষার সময় পর্যটক ও প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য প্রিয় স্থান।
যেভাবে যাবেন: সিলেট থেকে বাস বা অটোরিকশা ভাড়া করে হাওরে পৌঁছানো সম্ভব।
প্রতিটি হাওর ভিন্ন ঋতুতে ভিন্ন রূপ ধারণ করে। বর্ষায় পানি ভরে হাওরের সৌন্দর্য সর্বোচ্চ, শীতকালে সবুজ ক্ষেত ও প্রকৃতির দৃশ্য দর্শনীয়।
বিষয় : ভ্রমণ হাওর টাঙ্গুয়ার হাওর নিকলী হাওর বর্ষা

শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য একটি স্বর্গসদৃশ দেশ। বর্ষার সময় হাওরগুলো যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে – চারদিকে সবুজ, জলরাশি, হিজল ও করচের বন, মেঘে ঢাকা আকাশ এবং বাতাসের সতেজতা। বর্ষায় ঘুরতে গেলে এই সৌন্দর্য আরও প্রাণবন্ত লাগে। চলুন দেখি ৫টি বিখ্যাত হাওরের ভ্রমণ এবং যেভাবে পৌঁছাবেন তা।
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার এই হাওরকে বলা হয় ‘নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল’। প্রায় ২০০ প্রজাতির গাছপালা ও জলজ প্রাণীতে সমৃদ্ধ। বর্ষায় হাওরটি যেন সাগরের মতো বিস্তৃত হয়। হাওরে হাউস বোট ও ইঞ্জিনচালিত নৌকার সুবিধা রয়েছে।
যেভাবে যাবেন: সুনামগঞ্জ জেলা শহরে পৌঁছে বাসস্ট্যান্ড থেকে সাহেববাজার ঘাটে রিকশায় যান। সেখানে ইঞ্জিন বোট ভাড়া করে সরাসরি হাওরে যেতে পারবেন।
কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওর বর্ষায় পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয়। হিজল ও করচের বন, পানির নিচ থেকে উঠে আসা প্রাকৃতিক দৃশ্য মনে রাখার মতো।
যেভাবে যাবেন: কিশোরগঞ্জ জেলা শহরে পৌঁছে কালিয়াচাপরা সুগার মিল এলাকা থেকে সিএনজি অটোরিকশায় হাওরে যাওয়া যায়।
নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনার বিস্তীর্ণ জলাভূমি। বর্ষায় বিলগুলো জল-থইথই হয়ে ওঠে। হজরত ঘাসী দেওয়ান (রহ.)-এর মাজার, সাবমার্সিবল সড়ক এবং ‘স্বর্ণদ্বীপ’ দেখার মতো জায়গা।
যেভাবে যাবেন: নাটোরের গুরুদাসপুর বা শহর থেকে বাস ও নৌকা ভাড়া করে মূল চলনবিলের অংশে পৌঁছানো যায়।
মৌলভীবাজারে অবস্থিত এ হাওর ২০,৪০০ হেক্টর বিস্তৃত। বর্ষাকালে ২৩৮টি বিল ও ১০টি নদী একীভূত হয়ে অপরূপ দৃশ্য তৈরি করে। মাছ ধরার উৎসব এবং অতিথি পাখি পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যটকদের প্রিয়।
যেভাবে যাবেন: ঢাকার কমলাপুর ও ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশন থেকে ট্রেন অথবা বাসে সিলেট আসুন। কুলাউড়া বা বড়লেখা নেমে অটোরিকশা বা বাসে হাওরে পৌঁছানো যায়।
মৌলভীবাজারের ভানু হাওর বর্ষায় অত্যন্ত মনোরম। পানির মধ্যে হিজল ও করচের বন, বিভিন্ন জলজ প্রাণী পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।
যেভাবে যাবেন: সিলেট থেকে স্থানীয় বাস বা অটোরিকশা ভাড়া করে পৌঁছানো যায়।
মৌলভীবাজারের আরেকটি আকর্ষণীয় হাওর। বর্ষায় জলরাশি ও সবুজ বন পরিবেশকে করে আরো মোহনীয়।
যেভাবে যাবেন: স্থানীয় ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করে হাওরে পৌঁছানো যায়।
সিলেট জেলার কমলগঞ্জের এই হাওর বর্ষার সময় পর্যটক ও প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য প্রিয় স্থান।
যেভাবে যাবেন: সিলেট থেকে বাস বা অটোরিকশা ভাড়া করে হাওরে পৌঁছানো সম্ভব।
প্রতিটি হাওর ভিন্ন ঋতুতে ভিন্ন রূপ ধারণ করে। বর্ষায় পানি ভরে হাওরের সৌন্দর্য সর্বোচ্চ, শীতকালে সবুজ ক্ষেত ও প্রকৃতির দৃশ্য দর্শনীয়।
[203]

আপনার মতামত লিখুন