ফিটনেস মানে কেবল ওজন কমানো বা কোমর স্লিম করা নয়। প্রকৃত ফিটনেস আসলে নির্ভর করে আপনার প্রতিদিনের জীবনযাত্রার ওপর। আপনি কী খাবার খাচ্ছেন, কতটা হাঁটছেন বা ব্যায়াম করছেন, কিংবা বিশ্রাম নিচ্ছেন—সবকিছু মিলিয়েই গড়ে ওঠে শরীরের আসল ফিটনেস।
সম্প্রতি ভারতীয় ফিটনেস কোচ রাজ গণপথ ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিওতে জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মাত্র সাতটি সহজ অভ্যাস যদি নিয়মিত পালন করা যায়, তবে বুঝতে হবে আপনি দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য ও ফিটনেসের পথে এগোচ্ছেন।
রাজের মতে, প্রতিদিনের খাবারের অন্তত ৮০-৯০ শতাংশ হওয়া উচিত প্রকৃত ও অপরিশোধিত খাবার। যেমন—ফল, সবজি, ডাল, শস্যদানা, ডেইরি, মাছ বা মাংস। মাঝেমধ্যে প্যাকেটজাত খাবার খাওয়া ক্ষতিকর নয়, তবে মূল খাদ্যাভ্যাসে যেন সব সময় প্রাকৃতিক খাবারই থাকে।
খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন ও শাকসবজি রাখতে হবে। ডিম, মাছ, মুরগি, টফু, ডালজাতীয় খাবার প্রতিদিনের মেনুতে থাকা জরুরি। এতে শরীর পাবে প্রয়োজনীয় শক্তি ও ভিটামিন।
রাজ গণপথের মতে, প্রতিদিন সামান্য বেশি খাওয়ার অভ্যাসও সময়ের সঙ্গে বড় সমস্যার কারণ হয়। ক্ষুধা অনুযায়ী খাবার খান, কিন্তু কখনোই উপোস করবেন না।
জিমে না গিয়েও ডাম্বেল, রেজিস্ট্যান্স ব্যান্ড বা ঘরোয়া ওয়ার্কআউটের মাধ্যমে শরীরের পেশি শক্ত রাখা সম্ভব। এতে বাড়বে সহনশক্তি ও মেটাবলিজম।
হাঁটা, দৌড়, সাঁতার, সাইক্লিং কিংবা খেলাধুলা—যা-ই হোক না কেন, সপ্তাহে অন্তত দুদিন এমন কিছু করুন যাতে হার্টরেট ওঠানামা করে। এটি হৃদ্যন্ত্র ও ফুসফুসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যদিও ১০-১৫ হাজার স্টেপ হাঁটা সবচেয়ে ভালো, তবে প্রতিদিন ৬-৮ হাজার স্টেপ হলেই শরীর সক্রিয় থাকবে। অফিস, বাজার কিংবা ঘরের ভেতরে হাঁটা—সবকিছুই এর মধ্যে ধরা যাবে।
অতিরিক্ত ডায়েট, কঠিন ওয়ার্কআউট কিংবা অতিরিক্ত বিশ্রামে আসক্ত হওয়া যাবে না। বরং মাঝামাঝি পথ বেছে নিলে সেটিই দীর্ঘমেয়াদি ফিটনেস নিশ্চিত করবে।
রাজ গণপথের মতে, এই সাতটি অভ্যাস শরীরের হৃদ্যন্ত্র, পেশি, হাড়, মস্তিষ্ক ও মেটাবলিজমকে সুরক্ষিত রাখে। এগুলো টেকসই, তাই হঠাৎ করে শুরু করা ডায়েট বা কঠোর ব্যায়ামের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর।
ফিটনেস মানে নিখুঁত শরীর নয়। বরং প্রতিদিনের এমন অভ্যাস, যা আপনাকে বছর পর বছর শক্তিশালী, প্রাণবন্ত এবং সুস্থ রাখবে। রাজ গণপথের নির্দেশিত এই সাতটি নিয়ম মেনে চললে ধরে নেওয়া যায়—আপনি ইতিমধ্যেই ফিটনেসের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ফিটনেস মানে কেবল ওজন কমানো বা কোমর স্লিম করা নয়। প্রকৃত ফিটনেস আসলে নির্ভর করে আপনার প্রতিদিনের জীবনযাত্রার ওপর। আপনি কী খাবার খাচ্ছেন, কতটা হাঁটছেন বা ব্যায়াম করছেন, কিংবা বিশ্রাম নিচ্ছেন—সবকিছু মিলিয়েই গড়ে ওঠে শরীরের আসল ফিটনেস।
সম্প্রতি ভারতীয় ফিটনেস কোচ রাজ গণপথ ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিওতে জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মাত্র সাতটি সহজ অভ্যাস যদি নিয়মিত পালন করা যায়, তবে বুঝতে হবে আপনি দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য ও ফিটনেসের পথে এগোচ্ছেন।
রাজের মতে, প্রতিদিনের খাবারের অন্তত ৮০-৯০ শতাংশ হওয়া উচিত প্রকৃত ও অপরিশোধিত খাবার। যেমন—ফল, সবজি, ডাল, শস্যদানা, ডেইরি, মাছ বা মাংস। মাঝেমধ্যে প্যাকেটজাত খাবার খাওয়া ক্ষতিকর নয়, তবে মূল খাদ্যাভ্যাসে যেন সব সময় প্রাকৃতিক খাবারই থাকে।
খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন ও শাকসবজি রাখতে হবে। ডিম, মাছ, মুরগি, টফু, ডালজাতীয় খাবার প্রতিদিনের মেনুতে থাকা জরুরি। এতে শরীর পাবে প্রয়োজনীয় শক্তি ও ভিটামিন।
রাজ গণপথের মতে, প্রতিদিন সামান্য বেশি খাওয়ার অভ্যাসও সময়ের সঙ্গে বড় সমস্যার কারণ হয়। ক্ষুধা অনুযায়ী খাবার খান, কিন্তু কখনোই উপোস করবেন না।
জিমে না গিয়েও ডাম্বেল, রেজিস্ট্যান্স ব্যান্ড বা ঘরোয়া ওয়ার্কআউটের মাধ্যমে শরীরের পেশি শক্ত রাখা সম্ভব। এতে বাড়বে সহনশক্তি ও মেটাবলিজম।
হাঁটা, দৌড়, সাঁতার, সাইক্লিং কিংবা খেলাধুলা—যা-ই হোক না কেন, সপ্তাহে অন্তত দুদিন এমন কিছু করুন যাতে হার্টরেট ওঠানামা করে। এটি হৃদ্যন্ত্র ও ফুসফুসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যদিও ১০-১৫ হাজার স্টেপ হাঁটা সবচেয়ে ভালো, তবে প্রতিদিন ৬-৮ হাজার স্টেপ হলেই শরীর সক্রিয় থাকবে। অফিস, বাজার কিংবা ঘরের ভেতরে হাঁটা—সবকিছুই এর মধ্যে ধরা যাবে।
অতিরিক্ত ডায়েট, কঠিন ওয়ার্কআউট কিংবা অতিরিক্ত বিশ্রামে আসক্ত হওয়া যাবে না। বরং মাঝামাঝি পথ বেছে নিলে সেটিই দীর্ঘমেয়াদি ফিটনেস নিশ্চিত করবে।
রাজ গণপথের মতে, এই সাতটি অভ্যাস শরীরের হৃদ্যন্ত্র, পেশি, হাড়, মস্তিষ্ক ও মেটাবলিজমকে সুরক্ষিত রাখে। এগুলো টেকসই, তাই হঠাৎ করে শুরু করা ডায়েট বা কঠোর ব্যায়ামের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর।
ফিটনেস মানে নিখুঁত শরীর নয়। বরং প্রতিদিনের এমন অভ্যাস, যা আপনাকে বছর পর বছর শক্তিশালী, প্রাণবন্ত এবং সুস্থ রাখবে। রাজ গণপথের নির্দেশিত এই সাতটি নিয়ম মেনে চললে ধরে নেওয়া যায়—আপনি ইতিমধ্যেই ফিটনেসের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন।
[338]

আপনার মতামত লিখুন