আমাদের অনেক সময় কর্মক্ষেত্রে মনে হয় আমরা এক জায়গায় আটকে আছি। একই কাজের পুনরাবৃত্তি, নতুন কিছু শেখার অনীহা কিংবা ভুল করার ভয় কর্মজীবনকে সীমাবদ্ধ করে ফেলে। অথচ মনোভাবের সামান্য পরিবর্তন আমাদের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতাকে বদলে দিতে পারে। সেই পরিবর্তনের মূল হলো গ্রোথ মাইন্ডসেট।
গ্রোথ মাইন্ডসেট কী?
মনোবিজ্ঞানী ক্যারল ডুয়েক, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, “গ্রোথ মাইন্ডসেট” ধারণা তুলে ধরেন। তার মতে:-গ্রোথ মাইন্ডসেট হলো বিশ্বাস যে মানুষের দক্ষতা ও মেধা স্থির নয়; বরং অনুশীলন, অধ্যবসায় ও সহায়তার মাধ্যমে তা উন্নত করা সম্ভব।
অন্যদিকে, ফিক্সড মাইন্ডসেট মনে করে, কারো ক্ষমতা জন্মগত এবং তা পরিবর্তন করা যায় না কর্মক্ষেত্রে ফিক্সড মাইন্ডসেট থাকা মানে হলো নতুন কিছু শেখার ভয়, ঝুঁকি না নেওয়া এবং ভুল করলে পিছিয়ে পড়া। বিপরীতে, গ্রোথ মাইন্ডসেট সম্পন্ন কর্মীরা ভুলকে শেখার অংশ হিসেবে দেখে এবং ক্রমাগত উন্নতির পথে এগিয়ে যায়।
আজকের কর্মজীবন প্রযুক্তি, বাজার ও কাজের ধরণের দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে জড়িত। এ পরিস্থিতিতে শুধু অভিজ্ঞতা নয়, বরং নতুন কিছু শেখার মানসিকতাই আসল শক্তি।
দক্ষতা বৃদ্ধি: নতুন বিষয় শেখার সুযোগ।
প্রেরণা: ফল নয়, প্রচেষ্টাকেও মূল্যায়ন করা।
আত্মবিশ্বাস: চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাহসী হওয়া।
ভুলের ভয় কমানো: ভুলকে শেখার অংশ হিসেবে দেখা।
খাপ খাওয়ানো সহজ: পরিবর্তন ও অনিশ্চয়তা সামলানো সহজ হয়।
সহযোগিতা বৃদ্ধি: একসঙ্গে শেখা ও কাজ করার প্রবণতা বাড়ে।
কর্মী ধরে রাখা সহজ: উন্নতির সুযোগ থাকলে কর্মীরা দীর্ঘ সময় থাকে।
অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ: কেবল যোগ্যতা নয়, শেখার মানসিকতাকে গুরুত্ব দেওয়া।
সঠিক ভাষা ব্যবহার: সাফল্যকে প্রচেষ্টা ও উন্নতির সঙ্গে যুক্ত করা।
পরীক্ষামূলক সুযোগ: ঝুঁকিহীন ছোট প্রকল্পের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা অর্জন।
শেখাকে উদযাপন: প্রচেষ্টা ও উন্নতিকে স্বীকৃতি দেওয়া।
বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া: অতিরিক্ত চাপ ছাড়া শেখা সহজ হয়।
গ্রোথ মাইন্ডসেট কেবল একটি মনোভাব নয়; এটি কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও উদ্ভাবনের চালিকা শক্তি। ভুলকে শেখার অংশ হিসেবে দেখা, নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টা—এসব মিলিয়ে একজন কর্মী কিংবা একটি প্রতিষ্ঠান দুজনেই আরও উন্নত, অভিযোজিত ও সফল হয়ে উঠতে পারে।
সকল ধরণের খবর সবার আগে জানতে প্রথম সংবাদের সাথে থাকুন

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
আমাদের অনেক সময় কর্মক্ষেত্রে মনে হয় আমরা এক জায়গায় আটকে আছি। একই কাজের পুনরাবৃত্তি, নতুন কিছু শেখার অনীহা কিংবা ভুল করার ভয় কর্মজীবনকে সীমাবদ্ধ করে ফেলে। অথচ মনোভাবের সামান্য পরিবর্তন আমাদের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতাকে বদলে দিতে পারে। সেই পরিবর্তনের মূল হলো গ্রোথ মাইন্ডসেট।
গ্রোথ মাইন্ডসেট কী?
মনোবিজ্ঞানী ক্যারল ডুয়েক, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, “গ্রোথ মাইন্ডসেট” ধারণা তুলে ধরেন। তার মতে:-গ্রোথ মাইন্ডসেট হলো বিশ্বাস যে মানুষের দক্ষতা ও মেধা স্থির নয়; বরং অনুশীলন, অধ্যবসায় ও সহায়তার মাধ্যমে তা উন্নত করা সম্ভব।
অন্যদিকে, ফিক্সড মাইন্ডসেট মনে করে, কারো ক্ষমতা জন্মগত এবং তা পরিবর্তন করা যায় না কর্মক্ষেত্রে ফিক্সড মাইন্ডসেট থাকা মানে হলো নতুন কিছু শেখার ভয়, ঝুঁকি না নেওয়া এবং ভুল করলে পিছিয়ে পড়া। বিপরীতে, গ্রোথ মাইন্ডসেট সম্পন্ন কর্মীরা ভুলকে শেখার অংশ হিসেবে দেখে এবং ক্রমাগত উন্নতির পথে এগিয়ে যায়।
আজকের কর্মজীবন প্রযুক্তি, বাজার ও কাজের ধরণের দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে জড়িত। এ পরিস্থিতিতে শুধু অভিজ্ঞতা নয়, বরং নতুন কিছু শেখার মানসিকতাই আসল শক্তি।
দক্ষতা বৃদ্ধি: নতুন বিষয় শেখার সুযোগ।
প্রেরণা: ফল নয়, প্রচেষ্টাকেও মূল্যায়ন করা।
আত্মবিশ্বাস: চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাহসী হওয়া।
ভুলের ভয় কমানো: ভুলকে শেখার অংশ হিসেবে দেখা।
খাপ খাওয়ানো সহজ: পরিবর্তন ও অনিশ্চয়তা সামলানো সহজ হয়।
সহযোগিতা বৃদ্ধি: একসঙ্গে শেখা ও কাজ করার প্রবণতা বাড়ে।
কর্মী ধরে রাখা সহজ: উন্নতির সুযোগ থাকলে কর্মীরা দীর্ঘ সময় থাকে।
অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ: কেবল যোগ্যতা নয়, শেখার মানসিকতাকে গুরুত্ব দেওয়া।
সঠিক ভাষা ব্যবহার: সাফল্যকে প্রচেষ্টা ও উন্নতির সঙ্গে যুক্ত করা।
পরীক্ষামূলক সুযোগ: ঝুঁকিহীন ছোট প্রকল্পের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা অর্জন।
শেখাকে উদযাপন: প্রচেষ্টা ও উন্নতিকে স্বীকৃতি দেওয়া।
বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া: অতিরিক্ত চাপ ছাড়া শেখা সহজ হয়।
গ্রোথ মাইন্ডসেট কেবল একটি মনোভাব নয়; এটি কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও উদ্ভাবনের চালিকা শক্তি। ভুলকে শেখার অংশ হিসেবে দেখা, নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টা—এসব মিলিয়ে একজন কর্মী কিংবা একটি প্রতিষ্ঠান দুজনেই আরও উন্নত, অভিযোজিত ও সফল হয়ে উঠতে পারে।
সকল ধরণের খবর সবার আগে জানতে প্রথম সংবাদের সাথে থাকুন[39]
[328]
[329]
[341]
[346]

আপনার মতামত লিখুন