সুস্থ প্রতিযোগিতা, সৃজনশীলতা ও ইতিবাচক সংস্কৃতির আলোয় আলোকিত ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) এবং পল্লী-কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সহযোগিতায় বেতমোর ইউনিয়নে আয়োজন করা হলো কিশোর-কিশোরীদের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা।
শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫ সকাল ৯টায় পিরোজপুর জেলার মঠবাড়ীয়া উপজেলার ১৮৭ নং পশ্চিম ঘোপখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনটি পরিণত হয় উৎসবমুখর মিলনমেলায়। কিশোর-কিশোরীদের অংশগ্রহণে পুরো মাঠ জুড়ে তৈরি হয় উচ্ছ্বাস, আনন্দ ও উদ্দীপনার রঙিন আবহ।
সমৃদ্ধি কর্মসূচির প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ সাইমুন হোসাইন বলেন:
“এ ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদন নয়, এটি কিশোর-কিশোরীদের সৃজনশীল বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তারা যেন মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকে এবং নিজেদের দক্ষতা দিয়ে ভবিষ্যৎ গড়তে পারে—এই লক্ষ্যেই আমাদের এই প্রচেষ্টা।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১৮৭ নং পশ্চিম ঘোপখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মেন্টর ও মঠবাড়ীয়ার একদল তরুণ স্বেচ্ছাসেবী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মঠবাড়ীয়া উপজেলার সমাজসেবক, ঘোপখালী স্পোর্টস ক্লাব ও পাঠাগারের সভাপতি মোঃ মাসুম বিল্লাহ। তিনি বলেন:
“সমৃদ্ধির মতো উদ্যোগগুলো চলমান থাকলে কিশোর-কিশোরীরা একদিন সমাজের দায়িত্বশীল ও সেবামুখী নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।”
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী এবং অংশগ্রহণকারী কিশোর-কিশোরীদের হাতে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষে তারা জানান, এ আয়োজন তাদের মাঝে নতুন আত্মবিশ্বাস, সাহস ও অনুপ্রেরণার জন্ম দিয়েছে।
উৎসবমুখর পরিবেশে সমাপ্ত হওয়া এই প্রতিযোগিতা বেতমোর ইউনিয়নের তরুণ প্রজন্মকে নতুন স্বপ্ন আর সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ নভেম্বর ২০২৫
সুস্থ প্রতিযোগিতা, সৃজনশীলতা ও ইতিবাচক সংস্কৃতির আলোয় আলোকিত ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) এবং পল্লী-কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সহযোগিতায় বেতমোর ইউনিয়নে আয়োজন করা হলো কিশোর-কিশোরীদের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা।
শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫ সকাল ৯টায় পিরোজপুর জেলার মঠবাড়ীয়া উপজেলার ১৮৭ নং পশ্চিম ঘোপখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনটি পরিণত হয় উৎসবমুখর মিলনমেলায়। কিশোর-কিশোরীদের অংশগ্রহণে পুরো মাঠ জুড়ে তৈরি হয় উচ্ছ্বাস, আনন্দ ও উদ্দীপনার রঙিন আবহ।
সমৃদ্ধি কর্মসূচির প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ সাইমুন হোসাইন বলেন:
“এ ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদন নয়, এটি কিশোর-কিশোরীদের সৃজনশীল বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তারা যেন মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকে এবং নিজেদের দক্ষতা দিয়ে ভবিষ্যৎ গড়তে পারে—এই লক্ষ্যেই আমাদের এই প্রচেষ্টা।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১৮৭ নং পশ্চিম ঘোপখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মেন্টর ও মঠবাড়ীয়ার একদল তরুণ স্বেচ্ছাসেবী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মঠবাড়ীয়া উপজেলার সমাজসেবক, ঘোপখালী স্পোর্টস ক্লাব ও পাঠাগারের সভাপতি মোঃ মাসুম বিল্লাহ। তিনি বলেন:
“সমৃদ্ধির মতো উদ্যোগগুলো চলমান থাকলে কিশোর-কিশোরীরা একদিন সমাজের দায়িত্বশীল ও সেবামুখী নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।”
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী এবং অংশগ্রহণকারী কিশোর-কিশোরীদের হাতে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষে তারা জানান, এ আয়োজন তাদের মাঝে নতুন আত্মবিশ্বাস, সাহস ও অনুপ্রেরণার জন্ম দিয়েছে।
উৎসবমুখর পরিবেশে সমাপ্ত হওয়া এই প্রতিযোগিতা বেতমোর ইউনিয়নের তরুণ প্রজন্মকে নতুন স্বপ্ন আর সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন