সাবেক প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina কে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) দ্বারা মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ের পর তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং আন্তর্জাতিক আদালতে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে, এবং রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায় কে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT‑1) দ্বারা মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই রায় ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে ঘোষণা করা হয়েছে। রায় ঘোষণার পর দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায় ঘোষণার পর বলেন, “ICT-এর বিচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং একপক্ষীয়।” তিনি আরও যোগ করেন, এই মামলার সুষ্ঠু বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে হওয়া উচিত, যেখানে প্রমাণ যাচাই করা হবে এবং ন্যায়সঙ্গত রায় দেওয়া সম্ভব।
শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে তিনটি মূল বিষয় তুলে ধরেন—
ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT‑1) রায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী Sheikh
Hasina, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক
পুলিশ প্রধান চৌধুরী আল-মামুনকে হত্যার নির্দেশ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে
দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে আল-মামুন ক্ষমা চাওয়ায় তাকে ছাড়া করা
হয়েছে। রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে Sheikh Hasina ও কামালকে পলাতক ঘোষণা করা
হয়েছে।
ICT-এর প্রধান প্রসিকিউটর উল্লেখ করেছেন যে, হত্যার নির্দেশ এবং সহিংসতার কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়েছিল। ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণায় নেতৃত্ব দেন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার, যিনি মামলাটির বিচার সম্পূর্ণ করেছেন।
রায় ঘোষণার পর দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকা সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরে অতিরিক্ত পুলিশ ও পারামিলিটারি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে সম্ভাব্য অশান্তি রোধ করা যায়।
জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র সচেতন নজরদারি করছে। অন্যদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সাজীব ওয়াজেদ বলেছেন, এই রায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এর মাধ্যমে তাদের পারিবারিক ও রাজনৈতিক অবস্থানকে ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে।
আওয়ামী লীগ উচ্চপর্যায়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছে এবং খুব শিগগিরই বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানাবে। অন্তর্বর্তী সরকারও রায় সম্পর্কিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
রায় ঘোষণার পর ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) ভবনের
আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পারামিলিটারি সেনা
মোতায়েন করা হয়েছে সম্ভাব্য অশান্তি প্রতিরোধের জন্য।
ট্রাইব্যুনালের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হত্যার নির্দেশ বাস্তবায়নের
সময় হেলিকপ্টার ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। এ ঘটনার পর ঢাকার কিছু
এলাকায় বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।
একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও সংস্থাগুলো রায় এবং
পরিস্থিতি মনিটর করছে, যাতে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিকোণ থেকে পরিস্থিতি
মূল্যায়ন করা যায়।
সর্বশেষ Sheikh Hasina সংক্রান্ত খবর ও আপডেট পেতে থাকুন – দৈনিক প্রথম সংবাদ-এর সঙ্গে থাকুন এবং প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রথমে জানুন।

মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫
সাবেক প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina কে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) দ্বারা মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ের পর তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং আন্তর্জাতিক আদালতে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে, এবং রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায় কে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT‑1) দ্বারা মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই রায় ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে ঘোষণা করা হয়েছে। রায় ঘোষণার পর দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায় ঘোষণার পর বলেন, “ICT-এর বিচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং একপক্ষীয়।” তিনি আরও যোগ করেন, এই মামলার সুষ্ঠু বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে হওয়া উচিত, যেখানে প্রমাণ যাচাই করা হবে এবং ন্যায়সঙ্গত রায় দেওয়া সম্ভব।
শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে তিনটি মূল বিষয় তুলে ধরেন—
ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT‑1) রায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী Sheikh
Hasina, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক
পুলিশ প্রধান চৌধুরী আল-মামুনকে হত্যার নির্দেশ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে
দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে আল-মামুন ক্ষমা চাওয়ায় তাকে ছাড়া করা
হয়েছে। রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে Sheikh Hasina ও কামালকে পলাতক ঘোষণা করা
হয়েছে।
ICT-এর প্রধান প্রসিকিউটর উল্লেখ করেছেন যে, হত্যার নির্দেশ এবং সহিংসতার কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়েছিল। ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণায় নেতৃত্ব দেন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার, যিনি মামলাটির বিচার সম্পূর্ণ করেছেন।
রায় ঘোষণার পর দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকা সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরে অতিরিক্ত পুলিশ ও পারামিলিটারি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে সম্ভাব্য অশান্তি রোধ করা যায়।
জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র সচেতন নজরদারি করছে। অন্যদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সাজীব ওয়াজেদ বলেছেন, এই রায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এর মাধ্যমে তাদের পারিবারিক ও রাজনৈতিক অবস্থানকে ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে।
আওয়ামী লীগ উচ্চপর্যায়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছে এবং খুব শিগগিরই বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানাবে। অন্তর্বর্তী সরকারও রায় সম্পর্কিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
রায় ঘোষণার পর ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) ভবনের
আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পারামিলিটারি সেনা
মোতায়েন করা হয়েছে সম্ভাব্য অশান্তি প্রতিরোধের জন্য।
ট্রাইব্যুনালের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হত্যার নির্দেশ বাস্তবায়নের
সময় হেলিকপ্টার ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। এ ঘটনার পর ঢাকার কিছু
এলাকায় বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।
একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও সংস্থাগুলো রায় এবং
পরিস্থিতি মনিটর করছে, যাতে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিকোণ থেকে পরিস্থিতি
মূল্যায়ন করা যায়।
সর্বশেষ Sheikh Hasina সংক্রান্ত খবর ও আপডেট পেতে থাকুন – দৈনিক প্রথম সংবাদ-এর সঙ্গে থাকুন এবং প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রথমে জানুন।

আপনার মতামত লিখুন