চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক নতুন মাশুল আদায়ের সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। আজ রোববার প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি কাজী জিনাত হক এবং বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
রিটটি করেছিলেন
বাংলাদেশ মেরিটাইম ল সোসাইটি। আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন
আইনজীবী মহিউদ্দিন আবদুল কাদের এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি
জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী।
বন্দর কর্তৃপক্ষ নতুন মাশুল গড়ে ৪১% বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত
বন্দরের মাশুল বৃদ্ধির সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছিল গত ১৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত গেজেটে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী—
- বন্দরের বিভিন্ন সেবায় গড়ে ৪১% মাশুল বৃদ্ধি
- সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি করা হয় কনটেইনার পরিবহন মাশুল খাতে
পরবর্তীতে ৩০ সেপ্টেম্বর
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নতুন মাশুল কার্যকর করার জন্য সার্কুলার জারি করে। এতে জানানো হয়,
১৫ অক্টোবর থেকে নতুন মাশুল কার্যকর হবে।
হাইকোর্টের আদেশ: আপাতত আদায় করা যাবে না
বাংলাদেশ মেরিটাইম ল সোসাইটি রিটের পক্ষে থাকা আইনজীবী মহিউদ্দিন আবদুল কাদের জানিয়েছেন—
“সার্কুলার স্থগিতের ফলে আপাতত এই ৪১% মাশুল আদায় করা যাবে না।”
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নূর মুহাম্মদ আজমী জানান—
“সার্কুলার স্থগিতের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।”
বন্দর গেজেট ২০২৫:১৪ সেপ্টেম্বরের গেজেট ও ৩০ সেপ্টেম্বরের সার্কুলার কেন বাতিল নয়? — হাইকোর্টের রুল
হাইকোর্ট আরও জানতে চেয়েছে—
- ১৪ সেপ্টেম্বরের গেজেট
- ৩০ সেপ্টেম্বরের সার্কুলার
- কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না?
এ বিষয়ে রুল জারি করেছে বেঞ্চটি।
সম্ভাব্য প্রভাব: আমদানি-রপ্তানি খাত কিছুটা স্বস্তিতে
চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুল বাড়লে তা সরাসরি প্রভাব ফেলত আমদানি-রপ্তানি খরচে। এই হাইকোর্ট স্থগিতাদেশে সাময়িকভাবে স্বস্তি পেয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে—
- আমদানিকারক
- রপ্তানিকারক
- শিপিং ও কনটেইনার পরিবহন ব্যবসা
তবে আপিল বিভাগে নতুন আবেদন হলে পুনরায় পরিবর্তন হতে পারে।
দেশের বিভিন্ন ধরনের সংবাদ সবার আগে পেতে ভিজিট করুন দৈনিক প্রথম সংবাদ এর নিউজ পোর্টাল
আপনার মতামত লিখুন