বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি একটি নতুন সার্কুলার জারি করেছে, যা Bangladesh
Bank loan rescheduling প্রক্রিয়ায় বিশেষ সুবিধা প্রদান করছে। এই উদ্যোগের
আওতায় শ্রেণীবদ্ধ এবং অশ্রেণীবদ্ধ ঋণগ্রহীতারা তাদের
ব্যবসা এবং আর্থিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধারের জন্য বিশেষ পুনঃতফসিল সুবিধা পেতে
পারবে। ব্যাংক অনুযায়ী, ঋণগ্রহীতারা সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত তাদের ঋণ পুনর্গঠন
করতে পারবেন, যার মধ্যে থাকবে ২ বছরের গ্রেস পিরিয়ড।
এই সুবিধা পাওয়ার জন্য ঋণগ্রহীতাদের তাদের বকেয়া ঋণের মাত্র ২ শতাংশ ডাউন
পেমেন্ট হিসেবে প্রদান করতে হবে। তবে, বিশেষ ডাউন পেমেন্টের জন্য আবেদন করার আগে
পরিশোধিত ঋণের কিস্তি বা অংশ দেখানো হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা
হয়েছে যে সমস্যার সম্মুখীন অশ্রেণীবদ্ধ ঋণগ্রহীতারা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত এই
সুবিধা নিতে পারবেন।
পুর্বের নিয়ম অনুসারে, exit সুবিধা নেওয়া হলেও ঋণের শ্রেণিবিন্যাস
অপরিবর্তিত থাকতো। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, একবার ঋণগ্রহীতা exit সুবিধা নিলে তাদের
ঋণের অবস্থা তৎক্ষণাৎ আপগ্রেড হবে, ফলে তারা আর খেলাপি তালিকায় থাকবে না।
একইসঙ্গে, exit সুবিধার আওতায় শ্রেণীবদ্ধ ঋণগ্রহীতারা অ-তহবিলযুক্ত সুবিধা যেমন
LC খোলার জন্য যোগ্য হবেন, তবে নতুন তহবিলভিত্তিক ঋণ গ্রহণ করতে পারবে না।
নতুন সার্কুলারে ঋণ পরিশোধের শৃঙ্খলাও কঠোর করা হয়েছে। পূর্বে, ঋণগ্রহীতা
চার বছরের মধ্যে এককালীন অর্থপ্রদানের মাধ্যমে ঋণ পরিশোধ করতেন, যা আর অনুমোদিত
হবে না। এখন ঋণগ্রহীতাদের ত্রৈমাসিক কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ করতে হবে এবং বার্ষিক ঋণ
পরিশোধ বকেয়া পরিমাণের কমপক্ষে ২০ শতাংশ হতে হবে। যদি ঋণগ্রহীতা তিন মাসের জন্য
কিস্তি দিতে ব্যর্থ হন, তবে তাকে আবার defaulted হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।
এ বিষয়ে এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ তৌহিদুল আলম খান বলেন,
"এই উদ্যোগ ব্যাংকিং খাতে অনাদায়ী ঋণ হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।
নিয়মিত গ্রাহকরাও এই সুবিধার আওতায় তাদের ঋণ পুনর্গঠনের সুযোগ পাবেন। ব্যাংকগুলি
এই সুযোগ ব্যবহার করে গ্রাহক সম্পর্ক উন্নত করতে এবং উভয় পক্ষের জন্য উপকারী exit
পরিকল্পনা তৈরি করতে পারে।"
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই Bangladesh Bank loan rescheduling উদ্যোগ
মূলত NPL (Non-Performing Loan) হ্রাস, ঋণগ্রহীতাদের আর্থিক পুনরুদ্ধার এবং
ব্যাংকিং সেক্টরের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে নেওয়া হয়েছে। যারা ঋণ
পুনঃতফসিলের সুযোগ নিতে চান, তাদের অবশ্যই ডাউন পেমেন্ট এবং নির্ধারিত কিস্তি নিয়ম
মেনে চলা জরুরি। এই সার্কুলার ৩০ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত শ্রেণীবদ্ধ ঋণগ্রহীতাদের
জন্য প্রযোজ্য এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অশ্রেণীবদ্ধ ঋণগ্রহীতাদের জন্য
প্রযোজ্য।
Bangladesh Bank loan rescheduling এখন ব্যবসায়িক পুনরুদ্ধারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ঋণগ্রহীতাদের জন্য এটি শুধুমাত্র স্বস্তি নয়, বরং ব্যাংকিং সেক্টরের জন্যও আর্থিক স্বাস্থ্য ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার একটি কার্যকর পদক্ষেপ।

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি একটি নতুন সার্কুলার জারি করেছে, যা Bangladesh
Bank loan rescheduling প্রক্রিয়ায় বিশেষ সুবিধা প্রদান করছে। এই উদ্যোগের
আওতায় শ্রেণীবদ্ধ এবং অশ্রেণীবদ্ধ ঋণগ্রহীতারা তাদের
ব্যবসা এবং আর্থিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধারের জন্য বিশেষ পুনঃতফসিল সুবিধা পেতে
পারবে। ব্যাংক অনুযায়ী, ঋণগ্রহীতারা সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত তাদের ঋণ পুনর্গঠন
করতে পারবেন, যার মধ্যে থাকবে ২ বছরের গ্রেস পিরিয়ড।
এই সুবিধা পাওয়ার জন্য ঋণগ্রহীতাদের তাদের বকেয়া ঋণের মাত্র ২ শতাংশ ডাউন
পেমেন্ট হিসেবে প্রদান করতে হবে। তবে, বিশেষ ডাউন পেমেন্টের জন্য আবেদন করার আগে
পরিশোধিত ঋণের কিস্তি বা অংশ দেখানো হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা
হয়েছে যে সমস্যার সম্মুখীন অশ্রেণীবদ্ধ ঋণগ্রহীতারা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত এই
সুবিধা নিতে পারবেন।
পুর্বের নিয়ম অনুসারে, exit সুবিধা নেওয়া হলেও ঋণের শ্রেণিবিন্যাস
অপরিবর্তিত থাকতো। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, একবার ঋণগ্রহীতা exit সুবিধা নিলে তাদের
ঋণের অবস্থা তৎক্ষণাৎ আপগ্রেড হবে, ফলে তারা আর খেলাপি তালিকায় থাকবে না।
একইসঙ্গে, exit সুবিধার আওতায় শ্রেণীবদ্ধ ঋণগ্রহীতারা অ-তহবিলযুক্ত সুবিধা যেমন
LC খোলার জন্য যোগ্য হবেন, তবে নতুন তহবিলভিত্তিক ঋণ গ্রহণ করতে পারবে না।
নতুন সার্কুলারে ঋণ পরিশোধের শৃঙ্খলাও কঠোর করা হয়েছে। পূর্বে, ঋণগ্রহীতা
চার বছরের মধ্যে এককালীন অর্থপ্রদানের মাধ্যমে ঋণ পরিশোধ করতেন, যা আর অনুমোদিত
হবে না। এখন ঋণগ্রহীতাদের ত্রৈমাসিক কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ করতে হবে এবং বার্ষিক ঋণ
পরিশোধ বকেয়া পরিমাণের কমপক্ষে ২০ শতাংশ হতে হবে। যদি ঋণগ্রহীতা তিন মাসের জন্য
কিস্তি দিতে ব্যর্থ হন, তবে তাকে আবার defaulted হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।
এ বিষয়ে এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ তৌহিদুল আলম খান বলেন,
"এই উদ্যোগ ব্যাংকিং খাতে অনাদায়ী ঋণ হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।
নিয়মিত গ্রাহকরাও এই সুবিধার আওতায় তাদের ঋণ পুনর্গঠনের সুযোগ পাবেন। ব্যাংকগুলি
এই সুযোগ ব্যবহার করে গ্রাহক সম্পর্ক উন্নত করতে এবং উভয় পক্ষের জন্য উপকারী exit
পরিকল্পনা তৈরি করতে পারে।"
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই Bangladesh Bank loan rescheduling উদ্যোগ
মূলত NPL (Non-Performing Loan) হ্রাস, ঋণগ্রহীতাদের আর্থিক পুনরুদ্ধার এবং
ব্যাংকিং সেক্টরের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে নেওয়া হয়েছে। যারা ঋণ
পুনঃতফসিলের সুযোগ নিতে চান, তাদের অবশ্যই ডাউন পেমেন্ট এবং নির্ধারিত কিস্তি নিয়ম
মেনে চলা জরুরি। এই সার্কুলার ৩০ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত শ্রেণীবদ্ধ ঋণগ্রহীতাদের
জন্য প্রযোজ্য এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অশ্রেণীবদ্ধ ঋণগ্রহীতাদের জন্য
প্রযোজ্য।
Bangladesh Bank loan rescheduling এখন ব্যবসায়িক পুনরুদ্ধারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ঋণগ্রহীতাদের জন্য এটি শুধুমাত্র স্বস্তি নয়, বরং ব্যাংকিং সেক্টরের জন্যও আর্থিক স্বাস্থ্য ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার একটি কার্যকর পদক্ষেপ।

আপনার মতামত লিখুন