ঢাকাসহ সারাদেশে পরপর ভূমিকম্পের ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।
হালকা কম্পন, নতুন ফাটলরেখার সন্ধান এবং ঘনবসতিপূর্ণ নগরাঞ্চলের দুর্বল ভবন
কাঠামো-সব মিলে বাংলাদেশ এখন উচ্চ ভূমিকম্প সতর্কতায় অবস্থান করছে। গত ২৪ ঘণ্টায়
অনলাইনে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়েছে আজকের ভূমিকম্পের খবর, আজকের
ভূমিকম্পের খবর বাংলাদেশ, এইমাত্র ভূমিকম্প, আজ কি ভূমিকম্প হয়েছে
বাংলাদেশে 2025, ঢাকার ভূমিকম্পের খবর, সর্বশেষ ভূমিকম্প-এমন
কীওয়ার্ডগুলো।
২৭ নভেম্বরের দুটি ভূমিকম্পের পর আজ ২৮ নভেম্বর ভূতাত্ত্বিক গবেষকরা
নিশ্চিত করেছেন-বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে নতুন ৪০০ কিলোমিটার সক্রিয় ফাটলরেখা
শনাক্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ফাটল ৬.০ মাত্রার ভূমিকম্প ঘটানোর
সক্ষমতা রাখে, যা ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরের জন্য বড় হুমকি।
গতকাল প্রকাশিত আজকের ভূমিকম্প কত মাত্রায় হয়েছে এবং আজকের
ভূমিকম্পের খবর ২০২৫-এসব আপডেট অনুযায়ী, ২৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে ঢাকা
ও আশপাশে ৩.৬ মাত্রা এবং রাত ৩টা ৩০ মিনিটে সিলেটে ৩.৪ মাত্রার
ভূমিকম্প হয়। পরপর কম্পনের কারণে সাধারণ মানুষ আরও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। ফলে “ভূমিকম্পের
খবর আজকের”, “ভূমিকম্পের খবর বাংলাদেশ” এবং “ভূমিকম্পের খবর কি”-এসব
সার্চ হঠাৎ বেড়ে যায়।
এর আগে ২১ নভেম্বর দেশে কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী ৫.৭ মাত্রার
ভূমিকম্প আঘাত হানে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ধারাবাহিক ছোট কম্পন বড় ভূমিকম্পের
সম্ভাবনার ইঙ্গিতও হতে পারে। সেই কারণে মানুষ এখন আন্তর্জাতিক ভূমিকম্পের ঘটনাও
খুঁজছে-যেমন রাশিয়ার ভূমিকম্পের খবর, আফগানিস্তানের ভূমিকম্পের খবর,
মায়ানমারের ভূমিকম্পের খবর এবং গতকাল ভূমিকম্পের খবর-কারণ পুরো
এশিয়া প্লেট বাউন্ডারির ওপর চাপ বাড়ছে।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতাত্ত্বিক অধ্যাপক ড.
মুসতাক আহমেদ বলেন, “বাংলাদেশ তিনটি সক্রিয় প্লেট-ইউরেশিয়ান, ইন্ডিয়ান ও বার্মা-এর
মিলনস্থলে অবস্থিত। ফলে ভূমিকম্পের ঝুঁকি এখানে স্বাভাবিকভাবেই বেশি। দক্ষিণ ঢাকার
অধিকাংশ এলাকাই ভরাট মাটিতে তৈরি হওয়ায় সেগুলো সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ।”
নতুন ঝুঁকি মূল্যায়নে দেখা গেছে, ঢাকা উত্তরাঞ্চল তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ হলেও দক্ষিণ ঢাকা, পুরান ঢাকা, কামরাঙ্গীরচর, গাবতলী ও আশপাশের এলাকা অধিক ঝুঁকিতে। অন্যদিকে নরসিংদী, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মধুপুর ফল্টের ওপর অবস্থান করায় সেগুলোও উল্লেখযোগ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সিলেট অঞ্চলের ডাউকি, কপিলি, শাওজিবাজার ও সিলেট ফল্ট-সবগুলোই বর্তমানে সক্রিয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এইমাত্র ভূমিকম্প ২০২৫ ধরনের ছোট কম্পন ভূমিকম্পের শক্তি ধীরে মুক্ত করতে সাহায্য করলেও অনেক সময় বড় ভূমিকম্পের আগে এমন কম্পনগুলো ঘনঘন দেখা যায়। রিখটার স্কেলে মাত্রা ১ বাড়লে তীব্রতা ১০ গুণ এবং এনার্জি ৩১ গুণ বৃদ্ধি পায়। ফলে ৬.০ মাত্রার ভূমিকম্প হলে ঢাকার মতো এলাকার ক্ষতির পরিমাণ ভয়াবহ হতে পারে।
এই অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা জরুরি কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন-ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো ভবন পুনর্মূল্যায়ন, স্কুল-কলেজে ভূমিকম্প মহড়া, বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে অনুসরণ, স্বেচ্ছাসেবক প্রশিক্ষণ এবং প্রতিটি বাড়িতে জরুরি প্রস্তুতি ব্যাগ তৈরি। তাদের মতে, প্রস্তুতি থাকলে প্রাণহানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ নভেম্বর ২০২৫
ঢাকাসহ সারাদেশে পরপর ভূমিকম্পের ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।
হালকা কম্পন, নতুন ফাটলরেখার সন্ধান এবং ঘনবসতিপূর্ণ নগরাঞ্চলের দুর্বল ভবন
কাঠামো-সব মিলে বাংলাদেশ এখন উচ্চ ভূমিকম্প সতর্কতায় অবস্থান করছে। গত ২৪ ঘণ্টায়
অনলাইনে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়েছে আজকের ভূমিকম্পের খবর, আজকের
ভূমিকম্পের খবর বাংলাদেশ, এইমাত্র ভূমিকম্প, আজ কি ভূমিকম্প হয়েছে
বাংলাদেশে 2025, ঢাকার ভূমিকম্পের খবর, সর্বশেষ ভূমিকম্প-এমন
কীওয়ার্ডগুলো।
২৭ নভেম্বরের দুটি ভূমিকম্পের পর আজ ২৮ নভেম্বর ভূতাত্ত্বিক গবেষকরা
নিশ্চিত করেছেন-বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে নতুন ৪০০ কিলোমিটার সক্রিয় ফাটলরেখা
শনাক্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ফাটল ৬.০ মাত্রার ভূমিকম্প ঘটানোর
সক্ষমতা রাখে, যা ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরের জন্য বড় হুমকি।
গতকাল প্রকাশিত আজকের ভূমিকম্প কত মাত্রায় হয়েছে এবং আজকের
ভূমিকম্পের খবর ২০২৫-এসব আপডেট অনুযায়ী, ২৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে ঢাকা
ও আশপাশে ৩.৬ মাত্রা এবং রাত ৩টা ৩০ মিনিটে সিলেটে ৩.৪ মাত্রার
ভূমিকম্প হয়। পরপর কম্পনের কারণে সাধারণ মানুষ আরও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। ফলে “ভূমিকম্পের
খবর আজকের”, “ভূমিকম্পের খবর বাংলাদেশ” এবং “ভূমিকম্পের খবর কি”-এসব
সার্চ হঠাৎ বেড়ে যায়।
এর আগে ২১ নভেম্বর দেশে কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী ৫.৭ মাত্রার
ভূমিকম্প আঘাত হানে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ধারাবাহিক ছোট কম্পন বড় ভূমিকম্পের
সম্ভাবনার ইঙ্গিতও হতে পারে। সেই কারণে মানুষ এখন আন্তর্জাতিক ভূমিকম্পের ঘটনাও
খুঁজছে-যেমন রাশিয়ার ভূমিকম্পের খবর, আফগানিস্তানের ভূমিকম্পের খবর,
মায়ানমারের ভূমিকম্পের খবর এবং গতকাল ভূমিকম্পের খবর-কারণ পুরো
এশিয়া প্লেট বাউন্ডারির ওপর চাপ বাড়ছে।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতাত্ত্বিক অধ্যাপক ড.
মুসতাক আহমেদ বলেন, “বাংলাদেশ তিনটি সক্রিয় প্লেট-ইউরেশিয়ান, ইন্ডিয়ান ও বার্মা-এর
মিলনস্থলে অবস্থিত। ফলে ভূমিকম্পের ঝুঁকি এখানে স্বাভাবিকভাবেই বেশি। দক্ষিণ ঢাকার
অধিকাংশ এলাকাই ভরাট মাটিতে তৈরি হওয়ায় সেগুলো সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ।”
নতুন ঝুঁকি মূল্যায়নে দেখা গেছে, ঢাকা উত্তরাঞ্চল তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ হলেও দক্ষিণ ঢাকা, পুরান ঢাকা, কামরাঙ্গীরচর, গাবতলী ও আশপাশের এলাকা অধিক ঝুঁকিতে। অন্যদিকে নরসিংদী, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মধুপুর ফল্টের ওপর অবস্থান করায় সেগুলোও উল্লেখযোগ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সিলেট অঞ্চলের ডাউকি, কপিলি, শাওজিবাজার ও সিলেট ফল্ট-সবগুলোই বর্তমানে সক্রিয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এইমাত্র ভূমিকম্প ২০২৫ ধরনের ছোট কম্পন ভূমিকম্পের শক্তি ধীরে মুক্ত করতে সাহায্য করলেও অনেক সময় বড় ভূমিকম্পের আগে এমন কম্পনগুলো ঘনঘন দেখা যায়। রিখটার স্কেলে মাত্রা ১ বাড়লে তীব্রতা ১০ গুণ এবং এনার্জি ৩১ গুণ বৃদ্ধি পায়। ফলে ৬.০ মাত্রার ভূমিকম্প হলে ঢাকার মতো এলাকার ক্ষতির পরিমাণ ভয়াবহ হতে পারে।
এই অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা জরুরি কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন-ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো ভবন পুনর্মূল্যায়ন, স্কুল-কলেজে ভূমিকম্প মহড়া, বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে অনুসরণ, স্বেচ্ছাসেবক প্রশিক্ষণ এবং প্রতিটি বাড়িতে জরুরি প্রস্তুতি ব্যাগ তৈরি। তাদের মতে, প্রস্তুতি থাকলে প্রাণহানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন