দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়ে অবশেষে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে আরও দুটি রাজনৈতিক দল। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কার্যক্রম ও সাংগঠনিক যাচাই–বাছাইয়ের পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) নীতিগতভাবে ‘আমজনতার দল’ এবং ‘জনতার দল’কে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ইসির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র। এর আগে এনসিপি ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) নতুন নিবন্ধন পায়। এ নিয়ে চলতি সময়ে চারটি নতুন দল নিবন্ধন পেতে চলেছে।
ইসির সূত্র জানিয়েছে, কয়েক ধাপের তদন্তের পর পুনরায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দল দুটির কার্যক্রম যাচাই করা হয়। পুনঃতদন্তে দেখা গেছে, উভয় দলেরই মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় কার্যালয় রয়েছে এবং তারা নিবন্ধন পেতে প্রয়োজনীয় শর্তগুলো পূরণ করেছে। এর ভিত্তিতেই কমিশন নীতিগত অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এখন দল দুটির বিষয়ে কেউ আপত্তি জানাতে চাইলে আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হবে। এজন্য গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। কমিশনের অনুমোদন পেলে শুক্রবারই পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি যাবে, এরপর আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করা হবে।
এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত দল ‘আমজনতার দল’। দলটির সদস্যসচিব তারেক রহমান দীর্ঘ ১৩৪ ঘণ্টা আমরণ অনশন কর্মসূচি চালিয়ে নিবন্ধন পাওয়ার দাবিতে নির্বাচন কমিশনের সামনে অবস্থান করেছিলেন। অবশেষে ইসির ইতিবাচক সিদ্ধান্তে তার অনশন আন্দোলনের সফল পরিণতি ঘটছে। জানা গেছে, দলটি ‘প্রজাপতি’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমজনতার দল এবং জনতার দল, উভয় দলেরই নথিপত্র, সাংগঠনিক কার্যক্রম, কার্যালয়, সদস্যসংখ্যা ও দলীয় গঠনতন্ত্র সন্তোষজনক হওয়ায় তাদের নিবন্ধন দেওয়ার প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন। এখন কেবল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও গেজেট জারি বাকি।
নিবন্ধন পাওয়া সম্ভাবনা নিশ্চিত হওয়ার পর আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “প্রজাপতি প্রতীকে আমরা নিবন্ধন পাচ্ছি। ইসি বলেছে আমরা সব শর্ত পূরণ করেছি। আগামী ধাপে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি বের হলে এরপরই গেজেট হবে।” তার ভাষায়, এটি তাদের দলের জন্য “ঐতিহাসিক মুহূর্ত”।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন দলগুলো নিবন্ধন পাওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক শক্তি গঠনের ক্ষেত্রে এই নিবন্ধন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়ে অবশেষে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে আরও দুটি রাজনৈতিক দল। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কার্যক্রম ও সাংগঠনিক যাচাই–বাছাইয়ের পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) নীতিগতভাবে ‘আমজনতার দল’ এবং ‘জনতার দল’কে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ইসির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র। এর আগে এনসিপি ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) নতুন নিবন্ধন পায়। এ নিয়ে চলতি সময়ে চারটি নতুন দল নিবন্ধন পেতে চলেছে।
ইসির সূত্র জানিয়েছে, কয়েক ধাপের তদন্তের পর পুনরায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দল দুটির কার্যক্রম যাচাই করা হয়। পুনঃতদন্তে দেখা গেছে, উভয় দলেরই মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় কার্যালয় রয়েছে এবং তারা নিবন্ধন পেতে প্রয়োজনীয় শর্তগুলো পূরণ করেছে। এর ভিত্তিতেই কমিশন নীতিগত অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এখন দল দুটির বিষয়ে কেউ আপত্তি জানাতে চাইলে আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হবে। এজন্য গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। কমিশনের অনুমোদন পেলে শুক্রবারই পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি যাবে, এরপর আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করা হবে।
এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত দল ‘আমজনতার দল’। দলটির সদস্যসচিব তারেক রহমান দীর্ঘ ১৩৪ ঘণ্টা আমরণ অনশন কর্মসূচি চালিয়ে নিবন্ধন পাওয়ার দাবিতে নির্বাচন কমিশনের সামনে অবস্থান করেছিলেন। অবশেষে ইসির ইতিবাচক সিদ্ধান্তে তার অনশন আন্দোলনের সফল পরিণতি ঘটছে। জানা গেছে, দলটি ‘প্রজাপতি’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমজনতার দল এবং জনতার দল, উভয় দলেরই নথিপত্র, সাংগঠনিক কার্যক্রম, কার্যালয়, সদস্যসংখ্যা ও দলীয় গঠনতন্ত্র সন্তোষজনক হওয়ায় তাদের নিবন্ধন দেওয়ার প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন। এখন কেবল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও গেজেট জারি বাকি।
নিবন্ধন পাওয়া সম্ভাবনা নিশ্চিত হওয়ার পর আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “প্রজাপতি প্রতীকে আমরা নিবন্ধন পাচ্ছি। ইসি বলেছে আমরা সব শর্ত পূরণ করেছি। আগামী ধাপে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি বের হলে এরপরই গেজেট হবে।” তার ভাষায়, এটি তাদের দলের জন্য “ঐতিহাসিক মুহূর্ত”।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন দলগুলো নিবন্ধন পাওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক শক্তি গঠনের ক্ষেত্রে এই নিবন্ধন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
[1152]

আপনার মতামত লিখুন