বর্তমানে যারা শতভাগ পেনশন সমর্পণ করেন, তাদের পুনঃস্থাপন সুবিধা পেতে অপেক্ষা করতে হয় ১৫ বছর। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী এই সময়সীমা কমিয়ে ১০ বছর করা হবে। ফলে অনেক কর্মকর্তা দ্রুতই পুনরায় মাসিক ভাতা পাবেন।
এখন পর্যন্ত নিয়ম ছিল, পেনশনভোগী মারা গেলে শুধুমাত্র প্রথম স্ত্রী বা স্বামী আজীবন পেনশন পেতেন। নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, মৃত্যুর আগে দ্বিতীয় বিয়ে হলে দ্বিতীয় স্ত্রী বা স্বামীও নিয়ম অনুযায়ী পারিবারিক পেনশন পাবেন।
আগে সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড থেকে পেনশনভোগীরা জটিল রোগে চিকিৎসা সহায়তা পেতেন না। এবার এই সুবিধা চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে ক্যান্সার, কিডনি বা হার্টের মতো জটিল রোগে আক্রান্ত অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরা সরকারি সহায়তা পাবেন।
যারা অবসরপ্রাপ্ত হয়ে বিদেশে অবস্থান করছেন, তাদের জন্যও নতুন সুযোগ আসছে। বিদেশে বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে পেনশন সংক্রান্ত কাগজপত্র ও স্বাক্ষর সম্পন্ন করার বিষয়টি সহজ করা হবে।
শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীদের উৎসব ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে যারা অবসর নিয়ে এককালীন পুরো পেনশন উত্তোলন করেছেন, তাদের জন্য মাসিক পেনশন পুনরায় চালুর বিষয়ও বিবেচনা করছে সরকার।
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করতে সর্বজনীন পেনশন স্কিম নিয়ে ব্যাপক প্রচারের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এই নতুন প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন হলে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের জীবন আরও সহজ হবে। পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা, চিকিৎসা সহায়তা এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাও জোরদার হবে।

শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বর্তমানে যারা শতভাগ পেনশন সমর্পণ করেন, তাদের পুনঃস্থাপন সুবিধা পেতে অপেক্ষা করতে হয় ১৫ বছর। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী এই সময়সীমা কমিয়ে ১০ বছর করা হবে। ফলে অনেক কর্মকর্তা দ্রুতই পুনরায় মাসিক ভাতা পাবেন।
এখন পর্যন্ত নিয়ম ছিল, পেনশনভোগী মারা গেলে শুধুমাত্র প্রথম স্ত্রী বা স্বামী আজীবন পেনশন পেতেন। নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, মৃত্যুর আগে দ্বিতীয় বিয়ে হলে দ্বিতীয় স্ত্রী বা স্বামীও নিয়ম অনুযায়ী পারিবারিক পেনশন পাবেন।
আগে সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড থেকে পেনশনভোগীরা জটিল রোগে চিকিৎসা সহায়তা পেতেন না। এবার এই সুবিধা চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে ক্যান্সার, কিডনি বা হার্টের মতো জটিল রোগে আক্রান্ত অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরা সরকারি সহায়তা পাবেন।
যারা অবসরপ্রাপ্ত হয়ে বিদেশে অবস্থান করছেন, তাদের জন্যও নতুন সুযোগ আসছে। বিদেশে বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে পেনশন সংক্রান্ত কাগজপত্র ও স্বাক্ষর সম্পন্ন করার বিষয়টি সহজ করা হবে।
শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীদের উৎসব ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে যারা অবসর নিয়ে এককালীন পুরো পেনশন উত্তোলন করেছেন, তাদের জন্য মাসিক পেনশন পুনরায় চালুর বিষয়ও বিবেচনা করছে সরকার।
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করতে সর্বজনীন পেনশন স্কিম নিয়ে ব্যাপক প্রচারের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এই নতুন প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন হলে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের জীবন আরও সহজ হবে। পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা, চিকিৎসা সহায়তা এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাও জোরদার হবে।

আপনার মতামত লিখুন