চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন দশক পর অনুষ্ঠিতব্য কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিতরণ কার্যক্রম শেষ দিনে এসে তীব্রতা পেয়েছে। নির্বাচন কমিশন গত কয়েক দিন ধরে মনোনয়ন ফরম বিক্রয় ও সংগ্রহ শুরু করেছে, এবং আবেদনকারীরা বাছাই-ঝামেলা, কাগজপত্র প্রস্তুতি ও শেষ মুহূর্তের পরামর্শে ব্যস্ত। মনোনয়নপ্রক্রিয়া শুরু থাকার খবর অনুযায়ী ফরম বিক্রি ও জমা দেওয়ার নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়েছে।
১) কোথায় ফরম পাওয়া যায়:
সাধারণত চাকসু ভবন বা নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নির্দিষ্ট কাউন্টারে ফরম বিক্রি ও
বিতরণ করা হয়। আবেদনকারীরা সেখান থেকে ফরম সংগ্রহ করবেন।
২) ফরম ফি ও কাগজ-পত্র: আবেদনপত্রের সঙ্গে পরিচয়পত্র, শিক্ষাগত সনদ/রোল
নম্বর, হল/ডিপার্টমেন্ট সনদ, এবং দুই-চারটি সাক্ষরিত রেফারেন্স বা বায়ো-ডাটার কপি
লাগতে পারে (স্থানীয় আয়োজকের নির্দেশিকা অনুসরণ করুন)।
৩) জমা-দানের সময়সীমা: কমিশন নির্ধারিত শেষ তারিখে জমা নেওয়া হবে; শেষ
সময়দিন পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দেওয়ার আহ্বান করা
হয়েছে।
প্রথম দিনেই কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদের জন্য একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছে; প্রথম দিন রিপোর্ট অনুযায়ী ২৮ জন মনোনয়নপত্র নিয়েছিলেন। দ্বিতীয় দিনে সংখ্যাটা আরও বেড়ে মোট অনেকে ফরম নিয়েছেন — নির্বাচনী মাঠে ধাপে ধাপে কতজন চূড়ান্তভাবে দাঁড়াবেন, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।
কয়েকটি হলে মনোনয়ন ফরম তুলুনা অভাব দেখা গেছে — শিক্ষার্থীরা বলছেন, হল স্তরের কিছু পদে কাজের ক্ষেত্র সীমিত হওয়ায় প্রার্থী হওয়ার উৎসাহ কম। নানা হলে ভিন্ন ধরনের আগ্রহ ও সংগঠনের উপস্থিতি এই পার্থক্যের কারণ হিসেবে কাজ করছে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা মনে করেন শেষদিনে আগ্রহী প্রার্থীরা আরও সামনে আসবেন।
নির্বাচন কমিশন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়ে উঠুক—এই লক্ষ্যে কড়া প্রস্তুতি নিচ্ছে। মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে কমিশনাররা কাগজপত্র যাচাই, সময়সীমা নিশ্চিতকরণ ও আবেদনকারীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন। এছাড়া মাঠে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা-সমন্বয় ও প্রশাসনিক সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের পর যদি যেকোনো প্রার্থী কাগজপত্রে অনুপযুক্ততা পায় বা কোনো আপত্তি ওঠে, সেটি কমিশন নির্ধারিত নিয়মে সমাধান করা হবে। প্রয়োজন পড়লে আপিলের সুযোগ বা পুনরায় তদন্তের ব্যবস্থা থাকতে পারে—এগুলো বিশ্ববিদ্যালয় ও নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসারে পরিচালিত হয়। স্থানীয় সূত্রে কমিশন ইতোমধ্যেই প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করেছে।
চাকসু নির্বাচন কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়; তা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের মতামত প্রকাশের, নেতৃত্ব বিকাশের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। যে রিপ্রেজেন্টেটিভরা নির্বাচিত হবে তারা হল-ওয়াইস কার্যক্রম, শিক্ষাসম্বন্ধীয় সমস্যা ও ক্যাম্পাস লাইফ এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে। তাই মনোনয়ন গ্রহণ, প্রচারণা ও ভোটের প্রতিটি ধাপেই দ্বায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত।
শেষদিনে মনোনয়ন ফরম বিতরণ
চলমান থাকায় অনেক শিক্ষার্থী এখনই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়ে নির্বাচনী
প্রক্রিয়ায় নেমে পড়বেন বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন বলছে—প্রক্রিয়া
সুষ্ঠুভাবে চলছে এবং শেষ দিন পর্যন্ত সবাইকে নির্দেশনা অনুসরণ করে অংশগ্রহণ করতে
অনুরোধ করা হয়েছে। তদন্ত ও যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা
হবে এবং পরে নির্বাচনী প্রচারণা পর্ব শুরু হবে।
নির্খবাচনের খবর জানতে ভিজিট করুন দৈনিক প্রথম সংবাদ অনলাইন নিউজ পোর্টাল।

মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন দশক পর অনুষ্ঠিতব্য কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিতরণ কার্যক্রম শেষ দিনে এসে তীব্রতা পেয়েছে। নির্বাচন কমিশন গত কয়েক দিন ধরে মনোনয়ন ফরম বিক্রয় ও সংগ্রহ শুরু করেছে, এবং আবেদনকারীরা বাছাই-ঝামেলা, কাগজপত্র প্রস্তুতি ও শেষ মুহূর্তের পরামর্শে ব্যস্ত। মনোনয়নপ্রক্রিয়া শুরু থাকার খবর অনুযায়ী ফরম বিক্রি ও জমা দেওয়ার নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়েছে।
১) কোথায় ফরম পাওয়া যায়:
সাধারণত চাকসু ভবন বা নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নির্দিষ্ট কাউন্টারে ফরম বিক্রি ও
বিতরণ করা হয়। আবেদনকারীরা সেখান থেকে ফরম সংগ্রহ করবেন।
২) ফরম ফি ও কাগজ-পত্র: আবেদনপত্রের সঙ্গে পরিচয়পত্র, শিক্ষাগত সনদ/রোল
নম্বর, হল/ডিপার্টমেন্ট সনদ, এবং দুই-চারটি সাক্ষরিত রেফারেন্স বা বায়ো-ডাটার কপি
লাগতে পারে (স্থানীয় আয়োজকের নির্দেশিকা অনুসরণ করুন)।
৩) জমা-দানের সময়সীমা: কমিশন নির্ধারিত শেষ তারিখে জমা নেওয়া হবে; শেষ
সময়দিন পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দেওয়ার আহ্বান করা
হয়েছে।
প্রথম দিনেই কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদের জন্য একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছে; প্রথম দিন রিপোর্ট অনুযায়ী ২৮ জন মনোনয়নপত্র নিয়েছিলেন। দ্বিতীয় দিনে সংখ্যাটা আরও বেড়ে মোট অনেকে ফরম নিয়েছেন — নির্বাচনী মাঠে ধাপে ধাপে কতজন চূড়ান্তভাবে দাঁড়াবেন, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।
কয়েকটি হলে মনোনয়ন ফরম তুলুনা অভাব দেখা গেছে — শিক্ষার্থীরা বলছেন, হল স্তরের কিছু পদে কাজের ক্ষেত্র সীমিত হওয়ায় প্রার্থী হওয়ার উৎসাহ কম। নানা হলে ভিন্ন ধরনের আগ্রহ ও সংগঠনের উপস্থিতি এই পার্থক্যের কারণ হিসেবে কাজ করছে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা মনে করেন শেষদিনে আগ্রহী প্রার্থীরা আরও সামনে আসবেন।
নির্বাচন কমিশন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়ে উঠুক—এই লক্ষ্যে কড়া প্রস্তুতি নিচ্ছে। মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে কমিশনাররা কাগজপত্র যাচাই, সময়সীমা নিশ্চিতকরণ ও আবেদনকারীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন। এছাড়া মাঠে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা-সমন্বয় ও প্রশাসনিক সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
[301]
মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের পর যদি যেকোনো প্রার্থী কাগজপত্রে অনুপযুক্ততা পায় বা কোনো আপত্তি ওঠে, সেটি কমিশন নির্ধারিত নিয়মে সমাধান করা হবে। প্রয়োজন পড়লে আপিলের সুযোগ বা পুনরায় তদন্তের ব্যবস্থা থাকতে পারে—এগুলো বিশ্ববিদ্যালয় ও নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসারে পরিচালিত হয়। স্থানীয় সূত্রে কমিশন ইতোমধ্যেই প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করেছে।
[64]
চাকসু নির্বাচন কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়; তা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের মতামত প্রকাশের, নেতৃত্ব বিকাশের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। যে রিপ্রেজেন্টেটিভরা নির্বাচিত হবে তারা হল-ওয়াইস কার্যক্রম, শিক্ষাসম্বন্ধীয় সমস্যা ও ক্যাম্পাস লাইফ এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে। তাই মনোনয়ন গ্রহণ, প্রচারণা ও ভোটের প্রতিটি ধাপেই দ্বায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত।
[300]
শেষদিনে মনোনয়ন ফরম বিতরণ
চলমান থাকায় অনেক শিক্ষার্থী এখনই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়ে নির্বাচনী
প্রক্রিয়ায় নেমে পড়বেন বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন বলছে—প্রক্রিয়া
সুষ্ঠুভাবে চলছে এবং শেষ দিন পর্যন্ত সবাইকে নির্দেশনা অনুসরণ করে অংশগ্রহণ করতে
অনুরোধ করা হয়েছে। তদন্ত ও যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা
হবে এবং পরে নির্বাচনী প্রচারণা পর্ব শুরু হবে।
নির্খবাচনের খবর জানতে ভিজিট করুন দৈনিক প্রথম সংবাদ অনলাইন নিউজ পোর্টাল।

আপনার মতামত লিখুন