সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া তার ফেসবুক পেজে ধারাবাহিকভাবে দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছেন। তার মতে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১-২ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারে, এরপর নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা থাকলেও তাদের পুরো মেয়াদ স্থায়িত্ব ভারতের কৌশলগত অবস্থান এবং আওয়ামী লীগের পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন,
সরকারের অদক্ষতা বা আইন-শৃঙ্খলার অবনতির কারণে, বা ছাত্র আন্দোলনের চাপে নির্বাচন বিলম্বিত হতে পারে।
সেই পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকারই ক্ষমতায় থাকবে, দুর্বল মন্ত্রীরা পরিবর্তিত হতে পারে, এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রেসিডেন্ট করে জাতীয় ঐকমত্য সরকার গঠিত হতে পারে।
সাবেক সেনাপ্রধান আরও সতর্ক করে বলেন,
“বিএনপি যদি ক্ষমতায় গিয়ে সহিংসতা-বিরোধী আন্দোলন দমন করতে ব্যর্থ হয়, তবে দেশে আবারও ১/১১ ধরনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।”
সংবিধান সংশোধন বা উচ্চকিত রাজনৈতিক আলোচনা থাকলেও আগামী পাঁচ বছর দেশ বিভ্রান্তি, অস্থিরতা, প্রতিবাদ, আন্দোলন, হরতাল ও অবরোধের মধ্য দিয়ে যাবে।
এতে অর্থনীতি দুর্বল হবে, দরিদ্র জনগোষ্ঠী আরও বিপদে পড়বে এবং বাংলাদেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক সূচক ক্রমশ পিছিয়ে যাবে।
ইকবাল করিম ভূঁইয়া দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক করে বলেছেন, দেশের জন্য প্রয়োজন নৈতিক নেতৃত্ব, রাজনৈতিক সহনশীলতা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা। আগামী নির্বাচনের প্রক্রিয়া, সরকারের সক্ষমতা ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমঝোতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৫
সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া তার ফেসবুক পেজে ধারাবাহিকভাবে দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছেন। তার মতে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১-২ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারে, এরপর নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা থাকলেও তাদের পুরো মেয়াদ স্থায়িত্ব ভারতের কৌশলগত অবস্থান এবং আওয়ামী লীগের পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন,
সরকারের অদক্ষতা বা আইন-শৃঙ্খলার অবনতির কারণে, বা ছাত্র আন্দোলনের চাপে নির্বাচন বিলম্বিত হতে পারে।
সেই পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকারই ক্ষমতায় থাকবে, দুর্বল মন্ত্রীরা পরিবর্তিত হতে পারে, এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রেসিডেন্ট করে জাতীয় ঐকমত্য সরকার গঠিত হতে পারে।
সাবেক সেনাপ্রধান আরও সতর্ক করে বলেন,
“বিএনপি যদি ক্ষমতায় গিয়ে সহিংসতা-বিরোধী আন্দোলন দমন করতে ব্যর্থ হয়, তবে দেশে আবারও ১/১১ ধরনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।”
সংবিধান সংশোধন বা উচ্চকিত রাজনৈতিক আলোচনা থাকলেও আগামী পাঁচ বছর দেশ বিভ্রান্তি, অস্থিরতা, প্রতিবাদ, আন্দোলন, হরতাল ও অবরোধের মধ্য দিয়ে যাবে।
এতে অর্থনীতি দুর্বল হবে, দরিদ্র জনগোষ্ঠী আরও বিপদে পড়বে এবং বাংলাদেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক সূচক ক্রমশ পিছিয়ে যাবে।
ইকবাল করিম ভূঁইয়া দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক করে বলেছেন, দেশের জন্য প্রয়োজন নৈতিক নেতৃত্ব, রাজনৈতিক সহনশীলতা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা। আগামী নির্বাচনের প্রক্রিয়া, সরকারের সক্ষমতা ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমঝোতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন