ডাকসুর ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলামকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও করার ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবিরের কয়েকজন কর্মী।
জুলাই আন্দোলনের সময় আবিদুলের আলোচিত উক্তি “প্লিজ, কেউ কাউকে ছেড়ে যাইয়েন না” নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গ করা হয়। গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ডাকসুর ফল ঘোষণার পর অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান ফেসবুকে ভিডিওটি প্রকাশ করলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ব্যাখ্যা দিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তারা জানান, ভিডিওটি আসলে বন্ধুদের মধ্যে রুমে আড্ডার সময় মজার ছলে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ভিডিওর একটি অংশ কেটে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রচার করা হয়, যা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।
ভিডিওতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন –
ওমর ফারুক (ইইই ২০-২১)
নাহিদ হাসান (আল কুরআন ২০-২১)
নাইমুর রহমান (অর্থনীতি ২১-২২)
সোহান (আইন ১৭-১৮)
রোকনুজ্জামান রোকন (মার্কেটিং ১৯-২০)
মোজাম্মেল (দাওয়াহ ২১-২২)
আবদুল্লাহ নুর মিনহাজ (আল হাদিস ২০-২১)
অভিযুক্তরা বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য কখনোই জুলাই আন্দোলন বা আবিদ ভাইয়ের কৃতিত্বকে হেয় করা ছিল না। ভুল বোঝাবুঝির কারণে যেসব সহযোদ্ধা ব্যথিত হয়েছেন, তাদের কাছে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।”
২৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা স্লোগান দিয়ে বলছেন “তুমিও জানো, আমিও জানি—সাদিক কায়েম পাকিস্তানি” এবং পাশাপাশি আবিদুলের উক্তি নিয়েও ব্যঙ্গ করেন।
অবশেষে, ঘটনার জেরে চাপের মুখে পড়ে ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের কর্মীরা ক্ষমা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ডাকসুর ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলামকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও করার ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবিরের কয়েকজন কর্মী।
জুলাই আন্দোলনের সময় আবিদুলের আলোচিত উক্তি “প্লিজ, কেউ কাউকে ছেড়ে যাইয়েন না” নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গ করা হয়। গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ডাকসুর ফল ঘোষণার পর অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান ফেসবুকে ভিডিওটি প্রকাশ করলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ব্যাখ্যা দিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তারা জানান, ভিডিওটি আসলে বন্ধুদের মধ্যে রুমে আড্ডার সময় মজার ছলে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ভিডিওর একটি অংশ কেটে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রচার করা হয়, যা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।
ভিডিওতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন –
ওমর ফারুক (ইইই ২০-২১)
নাহিদ হাসান (আল কুরআন ২০-২১)
নাইমুর রহমান (অর্থনীতি ২১-২২)
সোহান (আইন ১৭-১৮)
রোকনুজ্জামান রোকন (মার্কেটিং ১৯-২০)
মোজাম্মেল (দাওয়াহ ২১-২২)
আবদুল্লাহ নুর মিনহাজ (আল হাদিস ২০-২১)
অভিযুক্তরা বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য কখনোই জুলাই আন্দোলন বা আবিদ ভাইয়ের কৃতিত্বকে হেয় করা ছিল না। ভুল বোঝাবুঝির কারণে যেসব সহযোদ্ধা ব্যথিত হয়েছেন, তাদের কাছে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।”
২৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা স্লোগান দিয়ে বলছেন “তুমিও জানো, আমিও জানি—সাদিক কায়েম পাকিস্তানি” এবং পাশাপাশি আবিদুলের উক্তি নিয়েও ব্যঙ্গ করেন।
অবশেষে, ঘটনার জেরে চাপের মুখে পড়ে ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের কর্মীরা ক্ষমা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

আপনার মতামত লিখুন