পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো এস্তোনিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনায় রাশিয়াকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে এক বিবৃতিতে বলেন, মস্কোর এই ধরনের বিপজ্জনক কর্মকাণ্ড আর সহ্য করা হবে না। ভবিষ্যতে যদি আবারও এরকম কিছু ঘটে, ন্যাটো তার মিত্র রাষ্ট্রগুলোর প্রতিরক্ষায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।
মার্ক রুটে রাশিয়ার সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে “ইচ্ছাকৃত উসকানি” অথবা “সামরিক দক্ষতার অভাব” বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এর আগেও রাশিয়া একাধিকবার পোল্যান্ড ও রোমানিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে। এসব ঘটনায় ইউরোপীয় নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে এবং ন্যাটোকে আরও সতর্ক অবস্থানে যেতে হচ্ছে।
শুধু এস্তোনিয়াই নয়, চলতি বছর নরওয়েও অন্তত তিনবার রাশিয়ার বিরুদ্ধে আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার একটি অজ্ঞাত রুশ ড্রোন দেখা গেলে, ওসলো তিন ঘণ্টার জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। এই ঘটনায় সাধারণ মানুষসহ সামরিক মহলেও ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এস্তোনিয়া জানিয়েছে, গত শুক্রবার রাশিয়ার তিনটি মিগ-৩১ যুদ্ধবিমান অনুমতি ছাড়া তাদের আকাশে প্রবেশ করে এবং প্রায় ১২ মিনিট অবস্থান করে। বিষয়টি সরাসরি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করেছে দেশটি। এস্তোনিয়ার কূটনীতিকরা বলছেন, এটি শুধু তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত নয়, বরং গোটা ন্যাটো জোটের জন্য হুমকি।
তবে এস্তোনিয়া ও ন্যাটোর অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে মস্কো। রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের সামরিক বিমানগুলো নিয়মিত মহড়ার অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক আকাশপথ ব্যবহার করেছে, কোনোভাবেই অন্য দেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেনি।
ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ন্যাটো ও রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা আগেই চরমে পৌঁছেছে। এখন এস্তোনিয়া, নরওয়ে ও অন্যান্য দেশের আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাটো এবার রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও আকাশ নজরদারি কার্যক্রম চালু করতে পারে।
বিষয় : এস্তোনিয়া ন্যাটো মার্ক রুটে

শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো এস্তোনিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনায় রাশিয়াকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে এক বিবৃতিতে বলেন, মস্কোর এই ধরনের বিপজ্জনক কর্মকাণ্ড আর সহ্য করা হবে না। ভবিষ্যতে যদি আবারও এরকম কিছু ঘটে, ন্যাটো তার মিত্র রাষ্ট্রগুলোর প্রতিরক্ষায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।
মার্ক রুটে রাশিয়ার সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে “ইচ্ছাকৃত উসকানি” অথবা “সামরিক দক্ষতার অভাব” বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এর আগেও রাশিয়া একাধিকবার পোল্যান্ড ও রোমানিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে। এসব ঘটনায় ইউরোপীয় নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে এবং ন্যাটোকে আরও সতর্ক অবস্থানে যেতে হচ্ছে।
শুধু এস্তোনিয়াই নয়, চলতি বছর নরওয়েও অন্তত তিনবার রাশিয়ার বিরুদ্ধে আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার একটি অজ্ঞাত রুশ ড্রোন দেখা গেলে, ওসলো তিন ঘণ্টার জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। এই ঘটনায় সাধারণ মানুষসহ সামরিক মহলেও ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এস্তোনিয়া জানিয়েছে, গত শুক্রবার রাশিয়ার তিনটি মিগ-৩১ যুদ্ধবিমান অনুমতি ছাড়া তাদের আকাশে প্রবেশ করে এবং প্রায় ১২ মিনিট অবস্থান করে। বিষয়টি সরাসরি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করেছে দেশটি। এস্তোনিয়ার কূটনীতিকরা বলছেন, এটি শুধু তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত নয়, বরং গোটা ন্যাটো জোটের জন্য হুমকি।
তবে এস্তোনিয়া ও ন্যাটোর অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে মস্কো। রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের সামরিক বিমানগুলো নিয়মিত মহড়ার অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক আকাশপথ ব্যবহার করেছে, কোনোভাবেই অন্য দেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেনি।
ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ন্যাটো ও রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা আগেই চরমে পৌঁছেছে। এখন এস্তোনিয়া, নরওয়ে ও অন্যান্য দেশের আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাটো এবার রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও আকাশ নজরদারি কার্যক্রম চালু করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন