বাংলাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১২ জন মারা গেছেন, যা চলতি বছরের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা। একই সময়ে রেকর্ড সংখ্যক ৭৪০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার হিসাবে মৃত ১২ জনের মধ্যে ছয়জন নারী এবং ছয়জন পুরুষ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে পাঁচজন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে তিনজন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দু’জন, চট্টগ্রাম বিভাগে একজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন মারা গেছেন।
এই নিয়ে এ বছর মোট ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
ডেঙ্গু সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপও বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৪০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যা এ বছরের একদিনে সর্বোচ্চ। এর মধ্যে সর্বাধিক রোগী ভর্তি হয়েছে বরিশাল বিভাগে—১৬৫ জন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম রোগী ভর্তি হয়েছে রাজশাহী বিভাগে, মাত্র তিনজন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এ পর্যন্ত দেশে প্রাতিষ্ঠানিক চিকিৎসা নেওয়া ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১ হাজার ৮৩১ জনে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, বৃষ্টিপাতের ধরণ পরিবর্তন এবং নগরীতে অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে এডিস মশার প্রজনন বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলে ডেঙ্গুর সংক্রমণও বেড়ে চলছে।
ঢাকা ও বরিশাল বিভাগে মৃত্যুর সংখ্যা এবং রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় স্বাস্থ্যখাতের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞদের কিছু পরামর্শ:
জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করতে হবে
বাসাবাড়ি, অফিস, স্কুল ও হাসপাতালের আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে
ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে
জ্বর, মাথাব্যথা বা শরীরে ব্যথা হলে অবহেলা না করে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে
যেকোনো সংবাদ সবার আগে পেতে ভিজিট করুন দৈনিক প্রথম সংবাদ এর নিউজ পোর্টালে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১২ জন মারা গেছেন, যা চলতি বছরের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা। একই সময়ে রেকর্ড সংখ্যক ৭৪০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার হিসাবে মৃত ১২ জনের মধ্যে ছয়জন নারী এবং ছয়জন পুরুষ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে পাঁচজন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে তিনজন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দু’জন, চট্টগ্রাম বিভাগে একজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন মারা গেছেন।
এই নিয়ে এ বছর মোট ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
ডেঙ্গু সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপও বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৪০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যা এ বছরের একদিনে সর্বোচ্চ। এর মধ্যে সর্বাধিক রোগী ভর্তি হয়েছে বরিশাল বিভাগে—১৬৫ জন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম রোগী ভর্তি হয়েছে রাজশাহী বিভাগে, মাত্র তিনজন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এ পর্যন্ত দেশে প্রাতিষ্ঠানিক চিকিৎসা নেওয়া ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১ হাজার ৮৩১ জনে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, বৃষ্টিপাতের ধরণ পরিবর্তন এবং নগরীতে অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে এডিস মশার প্রজনন বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলে ডেঙ্গুর সংক্রমণও বেড়ে চলছে।
ঢাকা ও বরিশাল বিভাগে মৃত্যুর সংখ্যা এবং রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় স্বাস্থ্যখাতের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞদের কিছু পরামর্শ:
জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করতে হবে
বাসাবাড়ি, অফিস, স্কুল ও হাসপাতালের আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে
ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে
জ্বর, মাথাব্যথা বা শরীরে ব্যথা হলে অবহেলা না করে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে
[128]
যেকোনো সংবাদ সবার আগে পেতে ভিজিট করুন দৈনিক প্রথম সংবাদ এর নিউজ পোর্টালে।

আপনার মতামত লিখুন