নিউ চণ্ডীগড়, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ — ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মুলানপুরের মহারাজা যদবিন্দ্র সিং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ভারতকে ৫১ রানে হারিয়ে প্রোটিয়াসরা সিরিজে ১-১ সমতা ফেরায়। এই জয়ে বাকি ম্যাচগুলো আরও জমজমাট হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
টস জিতে ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব প্রথমে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, যা শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ ব্যুমেরাং হয়ে দাঁড়ায়। দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৩ রানের বিশাল স্কোর গড়ে। ফলে ভারতের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২১৪।
জবাবে ভারত ব্যাটিংয়ে একেবারে চাপের মুখে পড়ে এবং ১৯.১ ওভারে ১৬২ রানে অলআউট হয়। টি-টোয়েন্টিতে রানের হিসেবে ভারতের এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পরাজয়।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপুল সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে দেন ওপেনার কুইন্টন ডি কক— মাত্র ৪৬ বলে ৯০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি।
এডেন মার্করাম পুরো ম্যাচে ডি ককের দুর্দান্ত সঙ্গী ছিলেন। শেষদিকে ডোনোভান ফেরেইরা (১৬ বলে ৩০) ও ডেভিড মিলার (১২ বলে ২০*) ঝড়ো ব্যাটিংয়ে স্কোর ২০০ পার করান।
ভারতের ইনিংস শুরু থেকেই বিপর্যস্ত হয়। পাওয়ারপ্লের মধ্যেই তারা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারায়।
৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ভারত শক্ত চাপে পড়ে।
ভারতের ব্যাটিংয়ে একমাত্র ইতিবাচক দিক ছিলেন তিলক ভার্মা। তিনি ৩৪ বলে দুর্দান্ত ৬২ রান করেন।
হার্দিক পান্ডিয়া ব্যর্থ— ২৩ বলে ২০ রান
শেষ পর্যন্ত ভারত ১৬২ রানে অলআউট হয়, তিলক ছিলেন শেষ ব্যাটার।
দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং— বার্টম্যান সেরা
ইনিংস শেষে ডি কক বলেন:
“কখনও কম রান, কখনও বড়— এমন ওঠানামা হয়। তবে সেট হলে বড় ইনিংস খেলতে চাই।”
পিচ সম্পর্কে তিনি বলেন:
“উইকেট শুরুতে ধীর ছিল। নতুন ব্যাটারের জন্য কঠিন। তাই পার্টনারশিপ গড়তেই মনোযোগ দিই।”
এই জয়ে সিরিজ ১-১ সমতায়।
তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হবে ১৪ ডিসেম্বর, ধর্মশালায়— যেখানে দুই দলই সিরিজে এগিয়ে যেতে মরিয়া থাকবে।
মুলানপুর স্টেডিয়ামও প্রথমবার পুরুষদের আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করে ইতিহাস গড়েছে।
দুই দলের সামনে এখন আরও তিনটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ অপেক্ষা করছে, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য দারুণ উপভোগ্য হতে চলেছে।

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
নিউ চণ্ডীগড়, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ — ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মুলানপুরের মহারাজা যদবিন্দ্র সিং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ভারতকে ৫১ রানে হারিয়ে প্রোটিয়াসরা সিরিজে ১-১ সমতা ফেরায়। এই জয়ে বাকি ম্যাচগুলো আরও জমজমাট হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
টস জিতে ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব প্রথমে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, যা শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ ব্যুমেরাং হয়ে দাঁড়ায়। দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৩ রানের বিশাল স্কোর গড়ে। ফলে ভারতের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২১৪।
জবাবে ভারত ব্যাটিংয়ে একেবারে চাপের মুখে পড়ে এবং ১৯.১ ওভারে ১৬২ রানে অলআউট হয়। টি-টোয়েন্টিতে রানের হিসেবে ভারতের এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পরাজয়।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপুল সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে দেন ওপেনার কুইন্টন ডি কক— মাত্র ৪৬ বলে ৯০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি।
এডেন মার্করাম পুরো ম্যাচে ডি ককের দুর্দান্ত সঙ্গী ছিলেন। শেষদিকে ডোনোভান ফেরেইরা (১৬ বলে ৩০) ও ডেভিড মিলার (১২ বলে ২০*) ঝড়ো ব্যাটিংয়ে স্কোর ২০০ পার করান।
ভারতের ইনিংস শুরু থেকেই বিপর্যস্ত হয়। পাওয়ারপ্লের মধ্যেই তারা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারায়।
৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ভারত শক্ত চাপে পড়ে।
ভারতের ব্যাটিংয়ে একমাত্র ইতিবাচক দিক ছিলেন তিলক ভার্মা। তিনি ৩৪ বলে দুর্দান্ত ৬২ রান করেন।
হার্দিক পান্ডিয়া ব্যর্থ— ২৩ বলে ২০ রান
শেষ পর্যন্ত ভারত ১৬২ রানে অলআউট হয়, তিলক ছিলেন শেষ ব্যাটার।
দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং— বার্টম্যান সেরা
ইনিংস শেষে ডি কক বলেন:
“কখনও কম রান, কখনও বড়— এমন ওঠানামা হয়। তবে সেট হলে বড় ইনিংস খেলতে চাই।”
পিচ সম্পর্কে তিনি বলেন:
“উইকেট শুরুতে ধীর ছিল। নতুন ব্যাটারের জন্য কঠিন। তাই পার্টনারশিপ গড়তেই মনোযোগ দিই।”
এই জয়ে সিরিজ ১-১ সমতায়।
তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হবে ১৪ ডিসেম্বর, ধর্মশালায়— যেখানে দুই দলই সিরিজে এগিয়ে যেতে মরিয়া থাকবে।
মুলানপুর স্টেডিয়ামও প্রথমবার পুরুষদের আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করে ইতিহাস গড়েছে।
দুই দলের সামনে এখন আরও তিনটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ অপেক্ষা করছে, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য দারুণ উপভোগ্য হতে চলেছে।

আপনার মতামত লিখুন