চেরকি ও সাভিনিওর ঝলকে কারাবাও কাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল ম্যানচেস্টার সিটি। বুধবার রাতে পেপ গুয়ার্দিওলার কৌশলী পরিচালনায় ব্রেন্টফোর্ডকে ২–০ গোলে হারিয়ে শেষ চারে উঠে যায় সিটিজেনরা। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ নিউক্যাসল ইউনাইটেড, প্রথম লেগ অনুষ্ঠিত হবে সেন্ট জেমস’ পার্কে।
ম্যাচের শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণে ছিল সিটি। রায়ান চেরকি অসাধারণ এক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন, এরপর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সাভিনিও। চলতি মৌসুমে এটি ছিল ২১ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ানের মাত্র দ্বিতীয় গোল।
প্যালেসের বিপক্ষে জয়ের একাদশ থেকে মাত্র চারজন খেলোয়াড়কে রেখে দল সাজান গুয়ার্দিওলা। শুরুতেই চেরকি ও অস্কার ববের আক্রমণে চাপে পড়ে ব্রেন্টফোর্ড। তবে ১৮ মিনিটেই ইনজুরিতে মাঠ ছাড়তে হয় অস্কার ববকে; তার বদলি হিসেবে নামেন ফিল ফোডেন।
ম্যাচে বিতর্কও কম হয়নি। ব্রেন্টফোর্ড কোচ কিথ অ্যান্ড্রুজ মনে করেন, আবদুকোদির খুসানোভের একটি ফাউলে লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল। ম্যাচ শেষে দুই কোচের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলেও গুয়ার্দিওলা হালকা রসিকতায় বলেন,
“আগামীকাল ট্রেনিং গ্রাউন্ডে কফির টেবিলে বসে আলোচনা করব।”
প্রথম গোলটি আসে কর্নার থেকে। ডিভাইন মুকাসার নেওয়া কর্নার বক্সের বাইরে পেয়ে ডামি মেরে প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে ডান কোণে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান চেরকি। গোলের প্রশংসা করলেও গুয়ার্দিওলা বলেন,
“১৮ গজের আশপাশে সে অসাধারণ, গোলটিও দারুণ। তবে এরপর তার পারফরম্যান্স খুব ভালো ছিল না।”
দ্বিতীয়ার্ধে সিটির আধিপত্য আরও স্পষ্ট হয়। একাধিক আক্রমণ রুখে দেন ব্রেন্টফোর্ড গোলরক্ষক হাকোন ভালদিমারসন। তবে শেষ পর্যন্ত বাঁ দিক দিয়ে দৌড়ে গিয়ে ডিফ্লেক্টেড শটে গোল করে ব্যবধান ২–০ করেন সাভিনিও। এরপর ম্যাচ পুরোপুরি সিটির নিয়ন্ত্রণে থাকে।
বল দখল ও ধৈর্য ধরে খেলা—গুয়ার্দিওলার দর্শনের প্রতিফলন ছিল ম্যাচজুড়ে। মাঝেমধ্যে ফ্ল্যাঙ্কে কিছু দুর্বলতা দেখা গেলেও সিটি সামগ্রিকভাবে ছিল অনেক বেশি পরিপক্ব ও নিয়ন্ত্রিত।
এই জয়ে কারাবাও কাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার পাশাপাশি মৌসুমজুড়ে উন্নতির বার্তাই দিল ম্যানচেস্টার সিটি।

শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
চেরকি ও সাভিনিওর ঝলকে কারাবাও কাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল ম্যানচেস্টার সিটি। বুধবার রাতে পেপ গুয়ার্দিওলার কৌশলী পরিচালনায় ব্রেন্টফোর্ডকে ২–০ গোলে হারিয়ে শেষ চারে উঠে যায় সিটিজেনরা। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ নিউক্যাসল ইউনাইটেড, প্রথম লেগ অনুষ্ঠিত হবে সেন্ট জেমস’ পার্কে।
ম্যাচের শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণে ছিল সিটি। রায়ান চেরকি অসাধারণ এক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন, এরপর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সাভিনিও। চলতি মৌসুমে এটি ছিল ২১ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ানের মাত্র দ্বিতীয় গোল।
প্যালেসের বিপক্ষে জয়ের একাদশ থেকে মাত্র চারজন খেলোয়াড়কে রেখে দল সাজান গুয়ার্দিওলা। শুরুতেই চেরকি ও অস্কার ববের আক্রমণে চাপে পড়ে ব্রেন্টফোর্ড। তবে ১৮ মিনিটেই ইনজুরিতে মাঠ ছাড়তে হয় অস্কার ববকে; তার বদলি হিসেবে নামেন ফিল ফোডেন।
ম্যাচে বিতর্কও কম হয়নি। ব্রেন্টফোর্ড কোচ কিথ অ্যান্ড্রুজ মনে করেন, আবদুকোদির খুসানোভের একটি ফাউলে লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল। ম্যাচ শেষে দুই কোচের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলেও গুয়ার্দিওলা হালকা রসিকতায় বলেন,
“আগামীকাল ট্রেনিং গ্রাউন্ডে কফির টেবিলে বসে আলোচনা করব।”
প্রথম গোলটি আসে কর্নার থেকে। ডিভাইন মুকাসার নেওয়া কর্নার বক্সের বাইরে পেয়ে ডামি মেরে প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে ডান কোণে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান চেরকি। গোলের প্রশংসা করলেও গুয়ার্দিওলা বলেন,
“১৮ গজের আশপাশে সে অসাধারণ, গোলটিও দারুণ। তবে এরপর তার পারফরম্যান্স খুব ভালো ছিল না।”
দ্বিতীয়ার্ধে সিটির আধিপত্য আরও স্পষ্ট হয়। একাধিক আক্রমণ রুখে দেন ব্রেন্টফোর্ড গোলরক্ষক হাকোন ভালদিমারসন। তবে শেষ পর্যন্ত বাঁ দিক দিয়ে দৌড়ে গিয়ে ডিফ্লেক্টেড শটে গোল করে ব্যবধান ২–০ করেন সাভিনিও। এরপর ম্যাচ পুরোপুরি সিটির নিয়ন্ত্রণে থাকে।
[1270]
বল দখল ও ধৈর্য ধরে খেলা—গুয়ার্দিওলার দর্শনের প্রতিফলন ছিল ম্যাচজুড়ে। মাঝেমধ্যে ফ্ল্যাঙ্কে কিছু দুর্বলতা দেখা গেলেও সিটি সামগ্রিকভাবে ছিল অনেক বেশি পরিপক্ব ও নিয়ন্ত্রিত।
এই জয়ে কারাবাও কাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার পাশাপাশি মৌসুমজুড়ে উন্নতির বার্তাই দিল ম্যানচেস্টার সিটি।

আপনার মতামত লিখুন