স্মার্টফোন বাজারে নতুন সংযোজন হিসেবে Motorola তাদের Edge সিরিজে যুক্ত করেছে Edge 60 Fusion 5G মডেলটি। আধুনিক ডিজাইন, উচ্চক্ষমতার প্রসেসর এবং উন্নত ক্যামেরা ফিচারের সমন্বয়ে তৈরি এই ফোনটি মধ্য-প্রিমিয়াম সেগমেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফোনটি প্রথম দেখাতেই নজর কাড়ে এর স্লিম বডি ও কার্ভড-এজ ডিসপ্লের জন্য। ব্যবহৃত হয়েছে 6.7-ইঞ্চি pOLED স্ক্রিন, যার 144Hz রিফ্রেশ রেট ভিডিও স্ট্রিমিং এবং গেমিং অভিজ্ঞতাকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
পারফরম্যান্সের দিক থেকে ডিভাইসটিতে রয়েছে Qualcomm Snapdragon 7s Gen 2 চিপসেট, যা মাল্টিটাস্কিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন ভারী অ্যাপ চালানো পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই দ্রুতগতির অভিজ্ঞতা দেবে। ফোনটি 8GB এবং 12GB RAM ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে, আর 256GB স্টোরেজ থাকায় ব্যবহারকারীরা সহজেই ছবি, ভিডিও বা অ্যাপ সংরক্ষণ করতে পারবেন। 5G নেটওয়ার্ক সুবিধা থাকায় উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহারও আরও উপভোগ্য হবে।
ক্যামেরা বিভাগেও Motorola Edge 60 Fusion 5G নজর কাড়তে সক্ষম। ফোনটির পিছনে রয়েছে 50 মেগাপিক্সেল প্রধান সেন্সর এবং 13 মেগাপিক্সেল আলট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা, যা বিভিন্ন আলোক পরিবেশে ভালো মানের ছবি ধারণ করতে সক্ষম। সেলফি তোলা এবং ভিডিও কলের জন্য রয়েছে 32 মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। যারা সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করেন, তাদের জন্য ফ্রন্ট ক্যামেরাটি বিশেষভাবে উপযোগী হতে পারে।
দীর্ঘ সময় ব্যবহারের সুবিধা দিতে ফোনটিতে রয়েছে 5000mAh ব্যাটারি, যা এক দিনের ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট। এছাড়া 68W TurboPower ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির মাধ্যমে অল্প সময়ে ব্যাটারি দ্রুত চার্জ হয়ে যায়, ফলে ব্যবহারকারীদের অপেক্ষায় থাকতে হয় না। ডিভাইসটি বাজারে আসলে OnePlus, iQOO এবং Samsung-এর মতো ব্র্যান্ডের ফোনগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ক্যামেরা বিভাগেও Motorola Edge 60 Fusion 5G নজর কাড়তে সক্ষম। ফোনটির পিছনে রয়েছে 50 মেগাপিক্সেল প্রধান সেন্সর এবং 13 মেগাপিক্সেল আলট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা, যা বিভিন্ন আলোক পরিবেশে ভালো মানের ছবি ধারণ করতে সক্ষম। সেলফি তোলা এবং ভিডিও কলের জন্য রয়েছে 32 মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। যারা সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করেন, তাদের জন্য ফ্রন্ট ক্যামেরাটি বিশেষভাবে উপযোগী হতে পারে।
দীর্ঘ সময় ব্যবহারের সুবিধা দিতে ফোনটিতে রয়েছে 5000mAh ব্যাটারি, যা এক দিনের ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট। এছাড়া 68W TurboPower ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির মাধ্যমে অল্প সময়ে ব্যাটারি দ্রুত চার্জ হয়ে যায়, ফলে ব্যবহারকারীদের অপেক্ষায় থাকতে হয় না। ডিভাইসটি বাজারে আসলে OnePlus, iQOO এবং Samsung-এর মতো ব্র্যান্ডের ফোনগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভারতীয় বাজারে Motorola Edge 60 Fusion 5G-এর সম্ভাব্য দাম 35,000 থেকে 38,000 টাকা হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ২০২৫ সালে ফোনটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আসবে। তবে এর স্পেসিফিকেশন, ফিচার ও দাম কোম্পানির পরবর্তী ঘোষণায় পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ক্রেতাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে Motorola-এর অফিসিয়াল তথ্য যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ নভেম্বর ২০২৫
স্মার্টফোন বাজারে নতুন সংযোজন হিসেবে Motorola তাদের Edge সিরিজে যুক্ত করেছে Edge 60 Fusion 5G মডেলটি। আধুনিক ডিজাইন, উচ্চক্ষমতার প্রসেসর এবং উন্নত ক্যামেরা ফিচারের সমন্বয়ে তৈরি এই ফোনটি মধ্য-প্রিমিয়াম সেগমেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফোনটি প্রথম দেখাতেই নজর কাড়ে এর স্লিম বডি ও কার্ভড-এজ ডিসপ্লের জন্য। ব্যবহৃত হয়েছে 6.7-ইঞ্চি pOLED স্ক্রিন, যার 144Hz রিফ্রেশ রেট ভিডিও স্ট্রিমিং এবং গেমিং অভিজ্ঞতাকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
পারফরম্যান্সের দিক থেকে ডিভাইসটিতে রয়েছে Qualcomm Snapdragon 7s Gen 2 চিপসেট, যা মাল্টিটাস্কিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন ভারী অ্যাপ চালানো পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই দ্রুতগতির অভিজ্ঞতা দেবে। ফোনটি 8GB এবং 12GB RAM ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে, আর 256GB স্টোরেজ থাকায় ব্যবহারকারীরা সহজেই ছবি, ভিডিও বা অ্যাপ সংরক্ষণ করতে পারবেন। 5G নেটওয়ার্ক সুবিধা থাকায় উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহারও আরও উপভোগ্য হবে।
ক্যামেরা বিভাগেও Motorola Edge 60 Fusion 5G নজর কাড়তে সক্ষম। ফোনটির পিছনে রয়েছে 50 মেগাপিক্সেল প্রধান সেন্সর এবং 13 মেগাপিক্সেল আলট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা, যা বিভিন্ন আলোক পরিবেশে ভালো মানের ছবি ধারণ করতে সক্ষম। সেলফি তোলা এবং ভিডিও কলের জন্য রয়েছে 32 মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। যারা সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করেন, তাদের জন্য ফ্রন্ট ক্যামেরাটি বিশেষভাবে উপযোগী হতে পারে।
দীর্ঘ সময় ব্যবহারের সুবিধা দিতে ফোনটিতে রয়েছে 5000mAh ব্যাটারি, যা এক দিনের ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট। এছাড়া 68W TurboPower ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির মাধ্যমে অল্প সময়ে ব্যাটারি দ্রুত চার্জ হয়ে যায়, ফলে ব্যবহারকারীদের অপেক্ষায় থাকতে হয় না। ডিভাইসটি বাজারে আসলে OnePlus, iQOO এবং Samsung-এর মতো ব্র্যান্ডের ফোনগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ক্যামেরা বিভাগেও Motorola Edge 60 Fusion 5G নজর কাড়তে সক্ষম। ফোনটির পিছনে রয়েছে 50 মেগাপিক্সেল প্রধান সেন্সর এবং 13 মেগাপিক্সেল আলট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা, যা বিভিন্ন আলোক পরিবেশে ভালো মানের ছবি ধারণ করতে সক্ষম। সেলফি তোলা এবং ভিডিও কলের জন্য রয়েছে 32 মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। যারা সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করেন, তাদের জন্য ফ্রন্ট ক্যামেরাটি বিশেষভাবে উপযোগী হতে পারে।
[1000]
দীর্ঘ সময় ব্যবহারের সুবিধা দিতে ফোনটিতে রয়েছে 5000mAh ব্যাটারি, যা এক দিনের ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট। এছাড়া 68W TurboPower ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির মাধ্যমে অল্প সময়ে ব্যাটারি দ্রুত চার্জ হয়ে যায়, ফলে ব্যবহারকারীদের অপেক্ষায় থাকতে হয় না। ডিভাইসটি বাজারে আসলে OnePlus, iQOO এবং Samsung-এর মতো ব্র্যান্ডের ফোনগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
[1045]
ভারতীয় বাজারে Motorola Edge 60 Fusion 5G-এর সম্ভাব্য দাম 35,000 থেকে 38,000 টাকা হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ২০২৫ সালে ফোনটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আসবে। তবে এর স্পেসিফিকেশন, ফিচার ও দাম কোম্পানির পরবর্তী ঘোষণায় পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ক্রেতাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে Motorola-এর অফিসিয়াল তথ্য যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন