স্বপ্নের মুক্তি ফাউন্ডেশনের ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে 'স্বপ্নের স্কুল' এর যাত্রা শুরু
মানবিকতার অঙ্গীকারে গড়া সংগঠন 'স্বপ্নের মুক্তি ফাউন্ডেশন' এক ভিন্নধর্মী আয়োজনে উদযাপন করেছে তাদের ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। গতকাল ২২ আগস্ট বৃহস্পতিবার পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আনন্দঘন পরিবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে স্থায়ী প্রকল্প “স্বপ্নের স্কুল”।শিশুদের মুখে হাসি ফুটানো আর ভবিষ্যৎকে আলোকিত করার প্রত্যয়ে গড়ে ওঠা এই বিশেষ উদ্যোগে অংশ নেয় ২০ জনের অধিক ভূমিহীন ও সুবিধাবঞ্চিত শিশু। দিনব্যাপী নানা আয়োজন—কবিতা আবৃত্তি, গান, নৃত্য, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও কেক কাটা অনুষ্ঠান—রঙ ছড়িয়ে দেয় শিশুদের শৈশবে। তাদের ছোট্ট হাতের আঁকা ছবি ও সুরেলা কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত কবিতা যেন বলছিল, “আমরাও স্বপ্ন দেখতে জানি, আমরাও গড়তে চাই ভবিষ্যৎ।”“স্বপ্নের স্কুল” প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো অবহেলিত ও পথশিশুদের জন্য একটি নিয়মিত শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে তারা প্রাথমিক শিক্ষা ছাড়াও স্বাস্থ্যসচেতনতা, নৈতিক শিক্ষা ও সৃজনশীল বিকাশের সুযোগ পাবে।সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল্লা আল অভি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন,“প্রতিটি শিশু জন্মগতভাবে শিক্ষার অধিকারী। আমাদের স্বপ্ন এই যে, কোনো শিশু যেন অন্ধকারে না থেকে জ্ঞানের আলোয় বড় হতে পারে। স্বপ্নের স্কুল সেই আলো জ্বালানোর ছোট্ট প্রয়াস।”উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেচ্ছাসেবীদের প্রগতিশীল অংশগ্রহণ নজর কাড়ে। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন সংগঠনের ভলান্টিয়ার খাঁন মুহাম্মাদ মাসুম বিল্লাহ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—রুবেল খান, জসিম, সারমিন, সানু, সপ্না, মুহাম্মাদ সাব্বির, সিনথিয়া, কারিমা, সোলাইমান মোঘল, ইমদাত, রেজাউল, তানজিকা, বৃস্টি, আনিকা, ময়না প্রমুখ।অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল সুবিধাবঞ্চিত ও ভূমিহীন শিশুদের মাঝে শিক্ষাসামগ্রী ও উপহার বিতরণ। শিশুদের উচ্ছ্বসিত মুখে সেই আনন্দ যেন ছড়িয়ে পড়ে পুরো অনুষ্ঠানে।উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই স্বপ্নের মুক্তি ফাউন্ডেশন সমাজের অসহায় ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছে। এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে “স্বপ্নের স্কুল”-এর মতো স্থায়ী প্রকল্পের উদ্বোধন তাদের মানবিক যাত্রায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা।শিক্ষা সংক্রান্ত সকল ধরণের খবর সবার আগে জানতে চোখ রাখুন প্রথম সংবাদে[297][248][50][52][14]