Mountain View
অনির্বান কোচিং সেন্টারে ছাত্রকে পিটিয়ে আহত করলো শিক্ষক


প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০১৬ , ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
প্রথম সংবাদ ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ভেতর থেকে এক কিশোরের আত্মচিৎকার, সাথে মারধরের বিকট শব্দ মনে হয় কেউ চোর ধরেছে। তবে কোচিং সেন্টারের সব রুম খোলা । চিৎকার আরো দির্ঘ হচ্ছে। ভির জমাতে শুরু করলো উৎসুক জনতা। সত্যিকার অর্থে তা নয় ভিতরে ছাত্রকে পেটাচ্ছে শিক্ষক। একটি ভবনের নিচতলায় বসে এক শিক্ষক ছাত্রকে বেধম মারধর করছে। ঘন্টা বাজানোর হাতুরী দিয়ে কিশোরকে পিটিয়ে জখম করেছে সে। এমন ঘটনা ঘটিয়েছে এবার অর্নিবান ক্যাডেট কোচিং সেন্টারের এক শিক্ষক। কোচিং বানিজ্যের পাশাপাশি এরা এবার ছাত্র নির্যাতনের লাইসেন্স নিয়েছে। এর আগে যেমনটি ঘটিয়েছিল বরিশালের ফেইথ কোচিং সেন্টারের এক শিক্ষক। চোরে না শোনে ধর্মের কাহীনি। এখানে সেই ঘটনাকে আবারো পূনরুজ্জিবীত করেছে অর্নিবান ক্যাডেট কোচিং সেন্টারের শিক্ষক শহিদুল ইসলাম। বরিশাল নগরীর বিএম কলেজ পকেট গেট এলাকায় অবস্থিত অর্নিবান ক্যাডেট কোচিং সেন্টারে চলছে ছাত্র নির্যাতন ও ছাত্রীদের শ্লীলতাহানী। যার প্রমান মিলেছে গতকাল। কোচিং সেন্টারের অন্তরালে এরা শিক্ষার্থীদের উপর চালায় নির্যাতন। জানাগেছে, অর্নিবান ক্যাডেট কোচিং এর ৭ম শ্রেনীর ছাত্র আব্দুল্লাহ আল আবিদ (১৩) কে গত রবিবার পিটিয়ে আহত করে শিক্ষক শহিদুল ইসলাম। শহিদুল ইসলাম ঐ কোচিং এর গনিত বিভাগের শিক্ষক বলে জানাগেছে। গতকাল আব্দুল্লাহ আল আবিদ (১৩) কে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অহত সুত্রে জানাগেছে, রোববার দুপুর ২টার দিকে আব্দুল্লাহ আল আবিদকে সিড়িতে বসে হাতুরী দিয়ে পিটিয়ে আহত করে একটি রুমে আটকে রাখে। ঘটনার খবর পেয়ে আব্দুল্লাহ আল আবিদ মা তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এস আই সাইদুল জানান, ছেলেটির মা তাকে থানায় নিয়ে আসে। বিষয় জানতে পেয়ে আমরা শিক্ষকের খোজ করলে শিক্ষক বর্তমানে পালাতক রয়েছে। শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সুত্রে জানাযায়, আব্দুল্লাহ আল আবিদ (১৩)কে সার্জারী ইউনিট ৩ এ ভর্তি করা হয়েছে। সুত্রে আরো জানাযায়, সে বৌদ্ধপাড়া এলাকার ছালেক গাজীর পুত্র। কোতয়ালী থানা সুত্রে জানাগেছে ,এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। এব্যপারে অর্নিবান কোচিং সেন্টারের পরিচালক বেল্লাল হোসেন জানান, ঘটনা যখন ঘটেছে তখন আমি কোচিং এ ছিলাম না । তবে আমি এসে শুনেছি। তিনি ঘটনার সত্যতা শ্বিকার করে বলেন এ ব্যাপারে কোচিং দায়ীনা। এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক শহিদুল ইসলাম এর ০১৭২১৫৩৫৩৭৫ নম্বরে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করে বলেন আমি আপনাকে একটু পরে ফোন দিচ্ছি। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি ফোন ব্যাক করেননি। ঘটনাটি যাতে ধামাচাপা দেয়া যায় সেজন্য কোচিং সেন্টারের পরিচালক বেল্লাল হোসেন ঢাকার এক সংবাদ কর্মীর মাধ্যমে প্রতিবেদককে সংবাদটি না করার পরামর্শ দেন। আরও বলেন এই বিষয়টি নিয়ে আমরা পরে আলোচনা করবো।  তবে এখানে প্রশ্ন থাকে পরিচালক যেখানে বললো এর জন্য কোচিং সেন্টার দায়ী নয় সেখানে একজন মিডিয়া কর্মীকে দিয়ে কেন সুপারিশ করিয়েছেন পরিচালক ?



পুরোন সংবাদ দেখুন

সর্বাধিক পঠিত

প্রকাশকঃ মোহাম্মাদ রাজীব ।
সম্পাদকঃ মোস্তফা জামান (মিলন)
প্রধান নির্বাহী সম্পাদকঃ এ এম জুয়েল ।
মোবাইলঃ ০১৭১১৯৭৯৮৪৩
prothomsangbadbd@gmail.com

অফিসঃ প্রথম সংবাদ ডট কম
এক্সট্রিম আনলক, ফাতেমা সেন্টার
দোকান নং ৩১৪, ৪র্থ তলা (বিবির পুকুর পশ্চিম পাড়)
৫২৩ সদর রোড, বরিশাল - ৮২০০
বাংলাদেশ ।

© প্রথম সংবাদ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি Design & Developed By: Eng. Zihad Rana
Copy Protected by ENGINEER BD NETWORK